লোক উৎসব ১৪৩২

লোক উৎসব ১৪৩২

  • 10 Feb, 26
  • 06:30 PM - 08:40 PM
  • Girish Mancha: Kolkata

লোক উৎসব ১৪৩২

ভ্রমরার উপস্থাপনায় ১১তম লোক উৎসব ১৪৩২ (প্রথম পর্ব)

থাকছে, নদীর সুরে বাঁধা জীবন: বাংলার আখ্যান

  • বাংলার অস্তিত্ব, সংস্কৃতি এবং আত্মার গভীরতম বোধ তার নদীগুলিকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয়। উত্তরের খরস্রোতা তিস্তা থেকে বদ্বীপের গঙ্গা পর্যন্ত—নদীগুলোই এই জনপদের ভাগ্য ও জীবনপ্রবাহ নির্ধারণ করে। নদী কেবল ভূখণ্ডের সীমানা আঁকে না, বরং এরাই সৃষ্টি করে, প্লাবিত করে এবং মুক্তি দেয়। ভাঙা ও গড়ার এই দ্বৈতসত্তাই বাঙালির জীবনবোধ ও দর্শনকে সংজ্ঞায়িত করেছে।
    বঙ্গের ভূপ্রকৃতি যেন জালের মতো ছড়িয়ে থাকা এক নদী-নকশা।
  • এই জলরাশিই মানুষের বেঁচে থাকার রসদ, চিন্তাভাবনা এবং বিশ্বাসের ভিত্তি। বন্যা যেমন সর্বস্ব কেড়ে নেয়, সেই জলই আবার পলি দিয়ে নতুন ফসলের প্রতিশ্রুতি দেয়। ধ্বংস ও পুনর্জন্মের এই চক্রাকার আবর্তন বাঙালিকে এক গভীর সত্য শিখিয়েছে—তা হলো জীবনের অনিত্যতা। কাদা-জলে দাঁড়িয়ে থাকা সাধারণ কৃষক পুঁথিগত শাস্ত্রজ্ঞানের অনেক আগেই প্রকৃতির এই মহাজাগতিক সত্যকে আত্মস্থ করে নেয়।
  • নদীর অবিরাম স্রোত মানুষের ভেতরের মোক্ষ বা মুক্তির আকাঙ্ক্ষাকে মূর্ত করে তোলে। বাংলার লোকসংগীত—বাউল, ভাটিয়ালি ও কীর্তন—মানুষের এই আধ্যাত্মিক আর্তিকেই মাটির সুরে প্রকাশ করেছে। বাউল সাধক লালন ফকিরের মতে, মুক্তি নদীর ওপারে নয়, বরং অন্তরে “মানুষ ভজলে” পাওয়া যায়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই নদীচেতনাকে বিশ্বজনীন অনুভূতির সঙ্গে মিলিয়েছেন। তাঁর কাছে মানুষের শিরায় প্রবহমান রক্তের ধারা আর বিশ্বজগৎ জুড়ে চলা নাচের ছন্দ একাকার। একইভাবে, কীর্তনে রাধার কৃষ্ণের প্রতি প্রেম বা পরমাত্মার সন্ধান যেন সাগরের উদ্দেশ্যে ধাবমান নদীরই রূপক।
  • অন্যদিকে, ভাটিয়ালি গানে মাঝিদের একাকীত্ব ও জীবনসংগ্রাম ফুটে ওঠে। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বর্ণনায় মাঝিদের এই কঠোর শ্রমও যেন এক মুক্তির আচার; নৌকা এখানে জীবিকা এবং মোক্ষ—উভয়েরই প্রতীক। “পীরের নামে ভাসাইলাম রে ম্যাঘনায় ভাঙ্গা নাও”—এই সুরে ভাগ্যের স্রোতে ভেসে চলা মানুষের চরম অসহায়ত্বের মধ্যে বিশ্বাসের প্রকাশ পায়। নদীগুলো কেবল দর্শনের আধার নয়, তারা ইতিহাসের নীরব সাক্ষীও বটে। দেশভাগ, দুর্ভিক্ষ ও অদম্য জীবনীশক্তির সাক্ষী এই জলধারা। ১৯৪৭-এর দেশভাগ বা দামোদরের বন্যা—সবকিছুর মধ্যেও মানুষ গান গেয়ে চলেছে, যা শোককে প্রজ্ঞায় রূপান্তরিত করেছে।
  • পরিশেষে, বাংলার সভ্যতা নদীর সঙ্গে এক অবিরাম কথোপকথনে বেঁচে থাকে। নদী ভাঙে ও গড়ে, আর গান বিলাপ করে ও মুক্তি দেয়। বাঙালির দর্শন স্রোতের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নয়, বরং স্রোতের সঙ্গে ভেসে চলায় বিশ্বাসী। এই অনন্ত যাত্রাপথেই তারা খুঁজে পায় তাদের পরম শান্তিঃ।

শান্তিঃ শান্তিঃ শান্তিঃ।

  • বিশ্বজুড়ে যে শান্তির ডাক দিচ্ছে মানুষ সেই শান্তির খোঁজেই আমাদের শিকড়ের কাছে ফিরে যাওয়া। আমাদের বিশ্বাস এই শিকড়ের সন্ধানই প্রানের উৎসকে সিঞ্চিত করবে। এই ভাবনা নিয়েই বাংলার প্রান্ত-প্রান্তর থেকে সংগৃহীত লোকগানের একটি সংকলন উপস্থাপনা করতে চলেছে ভ্রমরা।   

সংস্থাঃ

  • ভ্রমরা অর্ধশতাব্দীরও অধিক প্রাচীন একটি লোকসংস্কৃতি চর্চা কেন্দ্র। আত্মপ্রকাশ ১৯৬২ সাল। লক্ষ্য, বাংলার লোকগানের বিশাল সম্পদ ক্ষেত্রসমীক্ষার মাধ্যমে সংগ্রহ, সংরক্ষণ এবং প্রসার।
  • নিরবচ্ছিন্ন এই প্রয়াসে ১৯৯৩ সাল থেকে ধারাবাহিবভাবে প্রকাশিত হয়ে চলেছে ‘শিকড়ের সন্ধানে’ শীর্ষক বাংলার প্রান্ত-প্রান্তরের লোকশিল্পীদের গাওয়া গান ও প্রাসঙ্গিক তথ্য সমৃদ্ধ পুস্তিকা।
  • বিভিন্ন সময়ে সহায়তা করেছে সঙ্গীত নাটক অকাদেমি, ভারত সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রক ও ভারতীয় ভাষা সংস্থান, মহীশূর ও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়।
  • এ কাজের জন্য ভ্রমরা আমেরিকার স্মিথসোনিয়ান ফোকওয়েজের সৌজন্যে ‘পিট সিগর সম্মান’, কলকাতা লিটিল ম্যাগাজিন লাইব্রেরী ও গবেষণা কেন্দ্রের সৌজন্যে ‘সারস্বত সম্মান’, ‘সহজিয়া সম্মান’ ছাড়াও অন্যান্য আরও কিছু সম্মানে ভূষিত।
    ভ্রমরা, বেতার ও দূরদর্শনে নিয়মিত অংশগ্রহনকারী গানের দল।

বিশেষ অতিথিঃ

চন্দনা মজুমদারঃ

  •  বাংলাদেশের লোকসংগীত এবং নজরুল সঙ্গীতের অন্যতম বিশিষ্ট শিল্পী। সঙ্গীতের পরিবেশেই বেড়ে ওঠা । কুষ্ঠীয়ায় লালন সাঁইজি -র আখড়া ছেউরিয়া -র বাসিন্দা চন্দনা মজুমদার সাঁইজির ঘরানার শিল্পী । বাবা নির্মল মজুমদারও একজন বিখ্যাত বেতার ও দুরদর্শনের লোকগানের শিল্পী । পারিবারিক পরম্পরা ছাড়াও শিক্ষক হিসেবে পেয়েছেন মোকসেদ আলি সাঁই, খোদাবক্স সাঁই, রাম কানাই দাশ -কে । প্রথাগত শিক্ষা ইয়াকুব আলি খানের কাছে । আশির দশক থেকে বাংলাদেশ বেতার ও দুরদর্শনের নিয়মিত শিল্পী । ২০১১ সালে চলচ্চিত্রে অসংখ্য জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত গিয়সুদ্দিন সেলিমের মনপুরা ছবিতে

“সোনারও পালঙ্কের ঘরে
লিখে রেখে ছিলেম দ্বারে
যাও পাখি বলো তারে
সে যেন ভোলে না মোরে”

  • গানের জন্য ২০০৯ সালে জাতীয় পুরস্কার পান চন্দনা মজুমদার । পদ্মাপারের মানুষের সুখ-দুখ, জীবন যাত্রার মান, সীমান্ত দিয়ে মাদক পারাপারসহ নানান বিয়ষ নিয়ে রাশিদ পলাশ নির্দেশিত “পদ্মপুরাণ” ছবিতে জালাল খাঁ সাহেবের লেখা “এই চৌদ্দ ভুবনে আমার মুর্শিদ বাবা মওনানা ।” গানের জন্য ২০২১ সালে দ্বিতীয়বার জাতীয় পুরস্কার লাভ করেন চন্দনা মজুমদার । গৌতম ঘোষের মনের মানুষ চলচ্চিত্রে গান গেয়েছেন চন্দনা মজুমদার । বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি থেকে সঙ্গীতে ডিপ্লোমা অর্জনের পর, তিনি তার দীর্ঘ সঙ্গীত জীবনে আজ পর্যন্ত লোকসংগীত ও নজরুল গীতির ২৫টিরও বেশি একক অ্যালবাম রেকর্ড করেছেন (যার অধিকাংশই ‘বেস্ট সেলিং’ বা সর্বাধিক বিক্রিত হিসেবে সমাদৃত)।
  • তার গাওয়া ‘যাও পাখি বলো তারে’ গানটি বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের বাংলা সঙ্গীতপ্রেমীদের মাঝে তুমুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিল। বর্তমানে তিনি ঢাকার ঐতিহ্যবাহী ‘ছায়ানট’-এ সঙ্গীত গুরু হিসেবে যুক্ত আছেন। এছাড়াও সঙ্গীত পরিবেশনার জন্য তিনি ভারত, চীন, জাপান, সুইডেন, সিঙ্গাপুর, কাতার এবং উজবেকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশ সফর করেছেন।
    করা হয় ….

কিরণ চন্দ্র রায়ঃ

  • ারিক সূত্রে কাকা প্রভাত কুমার রায়ের কাছে সঙ্গীতের হাতেখড়ি । দাদুর উদ্যোগে কীর্তন ও যাত্রাপালার দলে ছোট বয়সে । বাংলাদেশের মানিকগঞ্জ জেলার হরিরামপুরে জন্ম কিরণ চন্দ্র রায়ের । সেখানে ছোটবেলায় নৌকায় চেপে গ্রামে গ্রামে কীর্তন, পালাগান ও যাত্রাপালা করে বেড়াতেন তিনি । মানিকগঞ্জে যে ভিটেমাটি আজ পদ্মার গর্ভে বিলীন । উচ্চশিক্ষার জন্য ঢাকায় এসে প্রথমে জগন্নাথ কলেজ সেখান থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলা আকাদেমি থেকে ফোকলোরিস্ট । সঙ্গীত শিক্ষা খোন্দকার নুরুল আলমের কাছে ।
  • হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় গান শুনে ১৯৭৫ সালে কবি জসিমুদ্দিন কিরণ চন্দ্র রায়কে বাংলাদেশ বেতারে গান গাইবার সুযোগ করে দেন । কবি বিজয় সরকার অসংখ্য জনপ্রিয় গান কিরণ চন্দ্র রায়কে দিয়েছিলেন সুর করার ও গাইবার জন্য । শাহ আব্দুল করিম তাঁর লেখা বিখ্যাত গান “মন কান্দে প্রাণ কান্দে রে ।” কিরণ চন্দ্র রায়কে দিয়েছিলেন সুর করার জন্য । ১৯৭০ সালের ১২ই নভেম্বর শতাব্দির প্রলয়ঙ্কারী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে বাংলাদশের উপকূলীয় এলাকায় দশ লক্ষাধিক মানুষ প্রাণ হারায়। এই মর্মান্তিক কাহিনী নিয়ে মোরশেদুল ইসলাম নির্মাণ করেন দুখাই চলচ্চিত্র ।
  • ১৯৯৭ সালে মুক্তি পাওয়া এই চলচ্চিত্রে বিজয় সরকারের লেখা “জানিতে চাই গো দয়াল তোমার আসল নামটা কি” গানের জন্য জাতীয় পুরস্কার পান কিরণ চন্দ্র রায় । এই গানটি কিরণ চন্দ্র রায়ের ছোট্ট ঘরে বসে এক বর্ষণমুখর সন্ধ্যায় তাঁর গাইবার জন্যই লিখেছিলেন কবি বিজয় সরকার । কবি রুদ্র মহম্মদ শহিদুল্লার লেখা গোটা বিশ্বে জনপ্রিয় “আমার ভিতর ও বাহিরে অন্তরে অন্তরে আছো তুমি হৃদয় জুড়ে” গানটি সুর করে জনপ্রিয় করে তুলেছিলেন কিরণ চন্দ্র রায় । নিজের লেখা ও সুর করা অসংখ্য জনপ্রিয় গান রয়েছে শিল্পী কিরণ চন্দ্র রায়ের। বাউল সাধক কিরণ চন্দ্র রায় ১৯৯৭ সালে শ্রেষ্ঠ নেপথ্য কণ্ঠশিল্পী হিসেবে জাতীয় পুরস্কার এবং বাচসাস শ্রেষ্ঠ কণ্ঠশিল্পী পুরস্কার অর্জন করেন।
  • এছাড়াও তিনি চীনে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক লোকসংগীত উৎসবে ৮৮ জন প্রতিযোগীর মধ্যে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছিলেন। কিরণ চন্দ্র রায়ের সঙ্গীতের হাতেখড়ি হয় নিজ বাড়িতেই। পরবর্তীতে তিনি খন্দকার নুরুল আলমের কাছে সঙ্গীতের প্রাতিষ্ঠানিক তালিম নেন। রাগ সঙ্গীতে পারদর্শী কিরণ চন্দ্র রায় বাউল গানের অবিস্মরণীয় পরিবেশনার জন্য ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন। এছাড়াও গৌতম ঘোষোর পদ্মা নদীর মাঝি -তে দুটি গান গেয়েছেন কিরণ চন্দ্র মজুমদার । মনের মানুষ ছবিতেও কিরণ চন্দ্র রায়ের একটি রেকর্ড করা গান ব্যবহার

অতিথি শিল্পীঃ

আমানত ফকিরঃ

  • আমানত ফকির বাউল এবং ফকিরি সঙ্গীতে বিশেষ পারদর্শী। এক ঐতিহ্যবাহী সঙ্গীত পরিবারে জন্মগ্রহণ করে, তিনি তার মায়ের কাছে মুসলিম বিয়ের গীত এবং বাবার কাছে পাঁচালি—যা এক ধরনের গীতি-আখ্যান—শিখে বড় হয়েছেন। শৈশবে তিনি তার বড় ভাইয়ের পরিচালিত গানের দলে ‘আলকাপ’ গাইতেন। ২২ বছর বয়সে তিনি বিখ্যাত মেহবুব ফকিরের শিষ্যত্ব গ্রহণ করেন, যিনি তার সঙ্গীতের দিগন্তকে ব্যাপকভাবে প্রসারিত করেছিলেন।
  • পরবর্তীতে তিনি জহিরউদ্দিন ও খোদাবকশ-এর মতো গুণী শিল্পীদের কাছেও তালিম নেন, যাদের শিক্ষা তাকে লোকসঙ্গীতের জগতে এক বিশিষ্ট নামে পরিণত করে। তার সঙ্গীত পরিবেশনা পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও আসাম এবং দিল্লিতে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছে।

রীনা দাস বাউলঃ

  • শান্তিনিকেতনের অন্যতম প্রথিতযশা মহিলা বাউল শিল্পী হলেন রিনা দাস বাউল। একটি বাউল পরিবারে বেড়ে ওঠা রিনা শৈশবেই তাঁর দাদুর কাছে বাউল গানের শিক্ষা নেন। ২০২২ সালের অক্টোবরে পর্তুগালের লিসবনে আয়োজিত বিশ্ব সঙ্গীতের শ্রেষ্ঠ মঞ্চ ‘ওমেক্স’ (WOMEX)-এ রিনা এবং তাঁর দল ‘রাঙামাটির বাউল’ সঙ্গীত পরিবেশন করেন। এছাড়াও তিনি ভারতের বিভিন্ন প্রান্তসহ বিদেশের মাটিতে—যেমন ফ্রান্সের ব্রিটানি ফেস্টিভ্যাল, সুইডেনের উরকুল্ট ফেস্টিভ্যাল এবং চেক প্রজাতন্ত্রের রেসপেক্ট ফেস্টিভ্যালে গান গেয়েছেন।
  • তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেসি ড্রিসেন, সুইডেনের টমি ওয়ালস্টর্ম ও রবার্ট ওয়ালস্টর্ম এবং আলেক্সি বেলকিনের নেতৃত্বাধীন ‘ওতাভা ইয়ো’ (Otava Yo)-র মতো আন্তর্জাতিক শিল্পীদের সঙ্গে কাজ করেছেন। রিনা বর্তমানে তাঁর লোকসংগীতের ঐতিহ্য স্থানীয় শিশুদের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার কাজে সক্রিয়ভাবে যুক্ত। তাঁর কাজ ‘সংলাইনস’ (Songlines) ম্যাগাজিনে এবং ‘সেন্টার ফর ফোকলাইফ অ্যান্ড কালচারাল হেরিটেজ’-এর কিউরেটর বেটি বেলানাসের একটি ব্লগেও স্থান পেয়েছে, যেখানে তুলে ধরা হয়েছে কীভাবে মহামারীর সময়ে পশ্চিমবঙ্গের বাউলদের মৌখিক ঐতিহ্য ডিজিটাল মাধ্যমে রূপান্তরিত হয়েছে।

Share Event:
Select Ticket

Available Ticket : 95
One Category @ ₹100
10 February, 2026
₹100

Venue

Girish Mancha

Baghbazar Kolkata

Organizer & Others

  • Organizer:ভ্রমরা
  • Director:Lakshmi Karmakar & Tirtha Bhattacharjee
  • Writer:Sagnik Thakur
  • Artists:Vocal- Lakshmi Karmakar, Malati Saha, Angshumala Karmakar, Sabita Samanta, Eshita Samanta, Saswati Thakur, Anupama Gunri, Tirtha Bhattacharjee, Souvik Polley, Rupali Roy, Atasi Chatterjee *** Instrumentalists- Jayanta Saha (Dotara & Sarinda), Ashok Saha (Dotara), Subir Biswas (Bangla Dhol), Saibalendu Karmakar (Percussion), Tirtha Bhattacharjee (Dotara), Souvik Polley (Dotara), Baby Paul (Percussion), Lakshmi Karmakar (Harmonium)

RELATED EVENTS

সূর্যায়ন
  • 12 Feb, 26
  • 06:30 PM - 08:30 PM
  • Gyan Manch
    Pretoria Street,Kolkata
Book Now
লোক উৎসব ১৪৩২
  • 10 Feb, 26
  • 06:30 PM - 08:40 PM
  • Girish Mancha
    Baghbazar Kolkata
Book Now
নবান্ন
  • 10 Apr, 26
  • 06:30 PM - 08:30 PM
  • Uttarpara Gana Bhawan
    GT Rd,Uttarpara
Book Now
একটা ইস্কুল
  • 13 Feb, 26
  • 06:30 PM - 08:40 PM
  • Academy of Fine Arts
    2, Cathedral Road Kolkata
Book Now