ঋত্বিক এক নক্ষত্রের নাম
- 17 Feb, 26
- 06:30 PM - 08:35 PM
- Madhusudan Mancha: Kolkata
- ঘর দুয়ার ফেলে পালিয়ে আসা উদভ্রান্ত জীবন কাঁটাতার পেরিয়ে এলে যদি শরণার্থী হয় তাহলে বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া লোপাট ঠিকানার মানুষের পরিচয় কি ?
- শতবর্ষের ঋত্বিক আপনি তো সেই ভবা যিনি ভাবতে পেরেছিলেন আরজিকর হাসপাতালের ডাক্তার মেয়েটির কথা, যে বাঁচতে চেয়েছিল । যুক্তি তক্কো গপ্পো সিনেমার সেই ছৌ শিল্পীর কথা – ” লাচো মা লাচো,তুমরা না লাইচলে কিচ্ছুটি হবার লয়।” – মালালা ইউসুফজাই, গ্রেটা থুনবার্গ, রানাঘাটের সিস্টার, পার্ক স্ট্রিটের সুজান, কামদুনির মেয়েটা কি স্বাধীনতার ফসল নাকি খণ্ডিত স্বাধীনতার বিকৃতি। কলোনির যন্ত্রনা , বেরোজগারের ভূখাপেট, জাগনার চরে রাত কাটা ধুলামন্দিরের মানুষ – ৪০০ কোটি টাকার মন্দিরের ধ্বজা আর মৌলবাদী জিগিরকে মুক্তিযুদ্ধে হারাবেই। তুমি তো জানতে কিভাবে পুড়তে পুড়তে ইস্পাত হতে হয়।
- পুনা ফিল্ম ইন্সটিটিউটের মাষ্টারমশাই – আপনার ছাত্ররা আজও দেশদ্রোহী আইনে অভিযুক্ত হয়, মরা তিতাসের চর জুড়ে ছুটে বেড়ানো শিশুটির ঘুড়ি এখন প্যালেস্টাইনের পতাকা ওড়াচ্ছে। কোমলগান্ধার এর নবজীবনের গান দেখুন ‘বেলা চাও ‘ গাইছে রোম – আমস্টারডাম – লন্ডনের রাস্তায়। আপনি তো গণনাট্য থেকে প্রস্তুত করেছিলেন কিভাবে ভাটিয়ালি – মারফতি গান গাওয়া মাল্লা – কুলি – অচ্ছুত – চাষা ফিল্মের ভাষায় নতুন বাগদি বউ – বন্দরের ফকির – ট্রামের চাকা – লেনিন শব্দের সাথে মিলেমিশে যায় – টোকা মাথায় রামকিঙ্কর ছবি আঁকে কোপাইয়ের ধারে।
- তুমি তো কখনও হতাশ কান্না নিংড়ানো জলে সেলুলয়েডের ফিতা চোবাও নি।
বরং সুভাষ মুখোপাধ্যায় এর কবিতার লাইনের মতো –
“কি আশ্চর্য
কখনোই তুমি তো কাঁদো না
পুটুলি পাকিয়ে রেখে গেছ
এ বাড়ির আনাচে কানাচে
সে মনোবেদনা
পুড়ে যাচ্ছি আমি তার আঁচে”
খাকি প্যান্ট পরা বুড়ো শকুন গুলো এদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস – তথ্য – নজির বাজেয়াপ্ত করে হামাগুড়ি দিচ্ছে আকাশে উড়বে বলে। কিন্তু সেলুলার জেলের ফাঁসির দড়ি গলায় পরে চলে গেছে যে সরফরোশি কি তামান্না, তার তো কোনো মৃত্যু হয় নি।
ফ্যাসিবাদের পদধ্বনি শুনছি আমরা, নীলকন্ঠ বাগচী। প্রয়োজন হলে দেবো এক নদী রক্ত, কারণ আমরাতো অযান্ত্রিক। আমরা তাই নাটকে সংলাপে ধরতে চাই, তোমার সেই সৃষ্টিক্ষ্যাপা ক্যামেরার ওয়াইড লেন্স, দেখাতে চাই এ দেশের ভূখ জমিন – প্রান্তর – দূর পাহাড় – আদিবাসী গ্রাম –
তোমার সাধের বাংলাদেশে এখন ধর্মীয় ফ্যাসিবাদের দাপাদাপি – তাই
প্রাকৃতিক বিপর্যয় নয়, বরং উড়ে যাক রঙ্গিলা বক।
মেঘনা গঙ্গার বুকে ভাসুক পালতোলা নৌকার বহর ।
নাটকের স্পর্ধায় উচ্চারিত হোক –
“ঋত্বিক এক নক্ষত্রের নাম”।
Venue: Madhusudan Mancha
-
Premium @ ₹500
Stock:: 23 seats
-
Gold @ ₹300
Stock:: 27 seats
-
Silver @ ₹200
Stock:: 32 seats
-
General @ ₹100
Stock:: 37 seats
Premium₹500
Gold₹300
Silver₹200
General₹100
