For generations, a few words have been enough to bring Mukesh and his unmistakable voice to mind.
KCC presents Dastaan-e-Mukesh, a musical-theatrical tribute to Mukesh Chand Mathur, revisiting the songs, stories and screen memories through which his voice became an enduring part of Hindi cinema.
Devanand Jha brings Mukesh’s much-loved songs to the stage, while Nidhikant Pandey traces the life and journey behind them. Come spend an evening remembering the music that gave voice to love, longing and heartbreak, and continues to find listeners across generations.
This theatrical exploration reimagines the final hours of Siraj-ud-Daulah—Bengal’s last independent Nawab—through his inner reckoning and his encounters with the five pivotal figures who shaped his rise and fall.
In this intimate retelling, Siraj confronts the loyalty of Meena Begum, the ambition of Ghasseti Begum, the treachery of Mir Zafar, and the unwavering love of Lutfan Nisa Begum.
রবি ঠাকুরের ডাকঘর সকলের জানা। ডাক হরকরার চিঠির আশায় অমল আলো হয়ে গেছিলো, এখনও আকাশে দেখা যায় রবির অমলকে আর চিঠি গুলো জমা হতে হতে দোপাটি হয়ে গেছে। তাই ‘অমলের চিঠি’ নাটকে অমল নিজেই ঝোলা কাঁধে নিয়ে, পায় ঘুঙুর পড়ে, বেরিয়েছে চিঠি বিলি করতে, যে ছুটির চিঠি, আলোর চিঠি যে চিঠি পথ দেখায় অন্তরের, অন্দরের। এই পরিবেশনা রবীন্দ্রনাথের ‘ডাকঘর’ অনুপ্রাণিত তবে নতুন করে সম্পাদিত।
নির্দেশনা : প্রীতম চক্রবর্তী
অভিনয় : তনিমা, প্রীতম, অভীপ্সা
সঙ্গীতে: ধ্রুব, নীলাদ্রি, নিরজ, হেমাঙ্গিনী
আলো: সঞ্জয়
সামগ্রিক সহায়তায়: কাজল
দ্বিতীয় দর্শন
চলো সাঁতরাই
ধ্বংসস্তূপের মাঝে এক সকালে শুরু হয় নাটক ‘ চলো সাঁতারাই’। ঘুমিয়ে থাকা এক অচেনা মেয়েকে দেখে দুই যুবক নিজের মনের মতো করে তাকে আপন ভাবতে চায়, একজন দেখে হারিয়ে যাওয়া প্রেমিকা, অন্যজন হারানো বোন। অধিকার প্রতিষ্ঠার এই জেদ গড়ায় এক অদ্ভুত কাল্পনিক সাঁতারের খেলায়, যা আসলে মানুষের ভেতরের অহংকার, ফাঁপা স্বপ্ন আর চাওয়া-পাওয়ার লড়াই। কিন্তু মেয়েটি যখন জানায় সে কারও কল্পনা নয়, বরং ঘরছাড়া এক উদ্বাস্তু মানুষ, তখনই তাদের তৈরি সব মিথ্যে খোলস ভেঙে পড়ে। যাওয়ার আগে মেয়েটি তাদের দাঁড় করিয়ে দেয় এক নির্মম সত্যি ও বিবেকের মুখোমুখি। নাটকটি মনে করিয়ে দেয়, জীবনের এই উত্তাল সমুদ্রে নিজেকে ঠিক আর অন্যকে ভুল প্রমাণের চেয়েও বড় সত্যি হলো—সব ভেদাভেদ ভুলে একে অপরকে শুধু মানুষ হিসেবে ভালোবাসতে পারা।
কালিচরণ এক আশ্চর্য ফেরিওয়ালা। নানারকম বাতিল জিনিস বস্তাবন্দি করে নিয়ে এসে সে বিক্রি করে। সেইসব আপাত বাতিল জিনিস দেখে অনেকেই হাসাহাসি করে। কিন্তু সত্যিকারের আগ্রহী মানুষ সেইসব বাতিল সামগ্রীর মধ্যে বিজ্ঞানের আশ্চর্য ম্যাজিকটা খুঁজে পান । তেমনিই এক মানুষ প্রবীণ গজপতিবাবু, যখন তিনি এইসব জিনিসপত্র কেনেন, চারপাশের লোকজন তাকে ব্যঙ্গ করে। বাড়িতে তাঁর বউ সুচরিতা ‘বোকা‘ বরটাকে নিত্য মুখঝামটা দেয়। কিন্তু ‘বোকা‘ আর ‘সরল‘ যে এক নয়, এ কথা কে বোঝাবে সুচরিতাকে ?
যে সব জিনিস জলের দরে বেছে দেয় ফেরিওয়ালা, সেগুলো যে বিজ্ঞানের বিরাট চমক, সেটা বুঝতে পারে জাগতিক কেনাবেচার কারবারিরা। তারা সেইসব জিনিস হাতাতে চাইলে কিংবা পেটেন্ট নিতে চাইলে রাজি হয় না ফেরিওয়ালা। তুচ্ছ ফেরিওয়ালার এত সাহস হয় কোথা থেকে ? তাই তাকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেওয়ার প্ল্যান করে মাফিয়ারা। এবং ফেরিওয়ালাকে খুন করার দায়িত্ব তারা দেয় এক স্বাস্থ্যবান, সৎ যুবক শ্যাডোর ওপর। বাবার চিকিৎসার খরচ জোগাড় করার জন্য শ্যাডো বাধ্য হয় এই ‘সুপারি‘ নিতে ।
শহর আর শহরতলি জুড়ে শুরু হয় হুলুস্থুল কান্ড । গজপতি কি শেষমেষফেরিওয়ালার কাছ থেকে এইসব আশ্চর্য জিনিসগুলো কিনতে পারবেন ? আদৌ কি কালীচরণকে শ্যাডো মারতে পারবে ?
KCC presents Dastaan-e-Dev Anand, a musical-theatrical journey through the life and cinema of one of Hindi cinema’s most enduring stars.
With narration by Sohaila Kapur and Nidhikant Pandey, live singing by Devanand Jha, and music by Adhir Das, Amit Kumar and Jeetu Nadaan, the evening revisits Dev Anand through the memories and melodies that shaped his screen legacy.
Join us as we recreate the world of Dev Anand through a captivating live performance!
রবীন্দ্রনাথ তাঁর বোঝাপড়া কবিতায় লিখেছিলেন, “ভালো মন্দ যাহাই আসুক, সত্যেরে লও সহজে।” কিন্তু সংঘাত, বিভাজন এবং অনিশ্চয়তায় পরিপূর্ণ এই সময়ে সত্যকে কি সত্যিই আর সহজে গ্রহণ করা সম্ভব? ইতিহাসের বিভিন্ন পর্বে মানুষ তার ক্ষুদ্র স্বার্থ, ক্ষমতার আকাঙ্ক্ষা এবং রাজনৈতিক-সামাজিক প্রয়োজনে সত্যকে ব্যবহার করেছে; কখনও তার উপর মিথ্যার প্রলেপ দিয়েছে, কখনও তাকে আড়াল করেছে, আবার কখনও সচেতনভাবে বিকৃত করেছে। ফলে সত্যকে সহজভাবে গ্রহণ করার ক্ষমতা যেমন ক্রমশ ক্ষয়প্রাপ্ত হয়েছে, তেমনই তাকে স্বীকার করার সদিচ্ছাও আজ গভীর সংকটের মুখে।
তবুও মানুষের এই অবিরাম প্রচেষ্টা সত্যের অস্তিত্বকে টলাতে পারেনি। সত্য যেন পাহাড়ের মতো—স্থির, অচঞ্চল এবং সময়ের অভিঘাতের ঊর্ধ্বে। পরিবর্তিত হয়েছে মানুষ, বদলেছে তার বিশ্বাস, মূল্যবোধ ও ক্ষুদ্র স্বার্থ; কিন্তু সত্য তার নিজস্ব অস্তিত্বে অপরিবর্তিত থেকেছে। আর সেই সত্যের অনুসন্ধান থেকে যারা কখনও বিরত থাকেনি, ইতিহাস তাদের জন্য প্রায়শই যন্ত্রণা, নিপীড়ন এবং নির্বাসন বয়ে এনেছে। ব্যক্তি, দল, জাতি কিংবা রাষ্ট্র—প্রতিষ্ঠিত ক্ষমতার নানা কাঠামোই তাদের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়েছে।
George Orwell-এর বহুল উদ্ধৃত উক্তি—“In a time of universal deceit, telling the truth is a revolutionary act”—এই অবস্থানটিকেই এক তীব্র রাজনৈতিক তাৎপর্য প্রদান করে। অন্তর রঙ্গ প্রযোজিত “কালচক্র” সেই অঙ্গীকারকেই স্বীকৃতি দেয়। Henrik Ibsen-এর কালজয়ী নাটক An Enemy of the People অবলম্বনে নির্মিত এই নাটক সত্যের পক্ষে দাঁড়িয়ে ক্ষমতা, সংখ্যাগরিষ্ঠতা এবং স্বার্থের রাজনীতিকে প্রশ্ন করে। একবার সত্য চেতনার গভীরে প্রবেশ করলে তাকে কি আর নির্বাসনে পাঠানো যায়? তাকে কি মিথ্যার আবরণে চিরকাল ঢেকে রাখা সম্ভব? নাকি সত্য, তার সমস্ত যন্ত্রণা ও অস্বস্তি নিয়ে, শেষ পর্যন্ত ফিরে আসে—প্রশ্ন হয়ে, প্রতিবাদ হয়ে, এবং মানুষের বিবেকের এক অনিবার্য আহ্বান হয়ে?
রবীন্দ্রনাথ তাঁর বোঝাপড়া কবিতায় লিখেছিলেন, “ভালো মন্দ যাহাই আসুক, সত্যেরে লও সহজে।” কিন্তু সংঘাত, বিভাজন এবং অনিশ্চয়তায় পরিপূর্ণ এই সময়ে সত্যকে কি সত্যিই আর সহজে গ্রহণ করা সম্ভব? ইতিহাসের বিভিন্ন পর্বে মানুষ তার ক্ষুদ্র স্বার্থ, ক্ষমতার আকাঙ্ক্ষা এবং রাজনৈতিক-সামাজিক প্রয়োজনে সত্যকে ব্যবহার করেছে; কখনও তার উপর মিথ্যার প্রলেপ দিয়েছে, কখনও তাকে আড়াল করেছে, আবার কখনও সচেতনভাবে বিকৃত করেছে। ফলে সত্যকে সহজভাবে গ্রহণ করার ক্ষমতা যেমন ক্রমশ ক্ষয়প্রাপ্ত হয়েছে, তেমনই তাকে স্বীকার করার সদিচ্ছাও আজ গভীর সংকটের মুখে।
তবুও মানুষের এই অবিরাম প্রচেষ্টা সত্যের অস্তিত্বকে টলাতে পারেনি। সত্য যেন পাহাড়ের মতো—স্থির, অচঞ্চল এবং সময়ের অভিঘাতের ঊর্ধ্বে। পরিবর্তিত হয়েছে মানুষ, বদলেছে তার বিশ্বাস, মূল্যবোধ ও ক্ষুদ্র স্বার্থ; কিন্তু সত্য তার নিজস্ব অস্তিত্বে অপরিবর্তিত থেকেছে। আর সেই সত্যের অনুসন্ধান থেকে যারা কখনও বিরত থাকেনি, ইতিহাস তাদের জন্য প্রায়শই যন্ত্রণা, নিপীড়ন এবং নির্বাসন বয়ে এনেছে। ব্যক্তি, দল, জাতি কিংবা রাষ্ট্র—প্রতিষ্ঠিত ক্ষমতার নানা কাঠামোই তাদের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়েছে।
George Orwell-এর বহুল উদ্ধৃত উক্তি—“In a time of universal deceit, telling the truth is a revolutionary act”—এই অবস্থানটিকেই এক তীব্র রাজনৈতিক তাৎপর্য প্রদান করে। অন্তর রঙ্গ প্রযোজিত “কালচক্র” সেই অঙ্গীকারকেই স্বীকৃতি দেয়। Henrik Ibsen-এর কালজয়ী নাটক An Enemy of the People অবলম্বনে নির্মিত এই নাটক সত্যের পক্ষে দাঁড়িয়ে ক্ষমতা, সংখ্যাগরিষ্ঠতা এবং স্বার্থের রাজনীতিকে প্রশ্ন করে। একবার সত্য চেতনার গভীরে প্রবেশ করলে তাকে কি আর নির্বাসনে পাঠানো যায়? তাকে কি মিথ্যার আবরণে চিরকাল ঢেকে রাখা সম্ভব? নাকি সত্য, তার সমস্ত যন্ত্রণা ও অস্বস্তি নিয়ে, শেষ পর্যন্ত ফিরে আসে—প্রশ্ন হয়ে, প্রতিবাদ হয়ে, এবং মানুষের বিবেকের এক অনিবার্য আহ্বান হয়ে?