Set in 1970s Kolkata, Canvasser draws from Bibhutibhushan Bandyopadhyay’s story “Canvasser Krishnalal,” portraying the life of Krishnalal, a humble medicine canvasser. Amidst the socio-economic struggles of the post-independence Bengali middle class, Krishnalal strives for stability through small jobs — first canvassing household medicines, then working as an auctioneer. Dishonour and dismissal, however, push him into despair. Yet, when cinema begins to mirror the lives of common people through filmmakers like Mrinal Sen, Krishnalal rediscovers his dignity, work, and hope.
The play intertwines Bibhutibhushan’s narrative simplicity with the stark realism of Mrinal Sen’s cinematic vision. It reflects the universal truth that in a competitive world, we are all canvassers — selling dreams, ideas, or survival. Through the struggle, pain, and quiet joys of the middle class, Canvasser captures the human spirit’s endurance under capitalism’s shadow and the eternal quest for respect and meaning.
কুয়াশাঘেরা দার্জিলিং এর রোমাঞ্চকর জলাপাহাড়। ততোধিক রহস্যময় তার হোম স্টে, সভ্যতা থেকে বহুদূরে এসে যেখানে এক অদ্ভুতুড়ে ভূতের মুখোমুখি চাটার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট ‘দীপ্তেশ’। ‘মোহন মনোহর শোভন সুন্দর মুরলী বদন শাস্ত্রী’- যেমন বাহারে নাম, তেমনই রঙিন তার চরিত্র। তাদের রসিকতা, তর্ক, স্বীকারোক্তি জুড়ে একে একে উঠে আসে ভালোবাসা, উপেক্ষা, আক্ষেপ, খিদে, যুদ্ধের গল্পরা। আসলে কি আছে আবছায়া এই পাহাড়চূড়ায়? কি চমক অপেক্ষা করছে এই গা-ছমছমে গল্পের শেষে?
উইলিয়াম শেক্সপিয়রের ‘ম্যাকবেথ’ অবলম্বনে রচিত *’মকরন্দ’* নাটকটি ‘স্কন্দপুর নটধা চক্র’ নামক একটি থিয়েটার দলের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব, উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং চরম ট্র্যাজেডির গল্প।
নাটকের মূল চরিত্র মকরন্দ দলের পরিচালক ধনঞ্জয়কে খুন করে থিয়েটারের নিয়ন্ত্রণ নিতে চায়। এরপর নিজের অপরাধ ঢাকতে ও ক্ষমতার লোভে সে একে একে বন্ধন ও দেবশ্মিকে নৃশংসভাবে হত্যা করে। কিন্তু এই পাপের পর মকরন্দ নিজেই তীব্র মানসিক অপরাধবোধ ও হ্যালুসিনেশনের শিকার হয়ে উন্মাদ হয়ে পড়ে এবং শেষে আত্মহত্যা করে।
বন্ধুর এই বিশ্বাসঘাতকতায় ধনঞ্জয়ের পুত্র মলয়ও মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে নাটকের শেষে এক ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডে লিপ্ত হয়, যা পুরো দলের বিনাশ ডেকে আনে।
Swapnasandhani’s Hamlet is based on William Shakespeare’s drama of the same name but with a modern twist to the eternal dilemma of ‘To Be or Not To Be.’
In the current socio-economic context when a young man, sensitive & sensible like Hamlet comes up to the audience and speaks directly from his heart, for them, it becomes our own voice.
রংমশাল – সংগীত সম্মেলনের শেষদিনের নিবেদন“ তিন ইয়ারি গান”।
এর আগে গানেশ্রীকান্ত আচার্য, পিয়ানোয়সৌমিত্র সেনগুপ্তঅথবা গানেপ্রবুদ্ধ রাহা–এরকম অনুষ্ঠান আপনারা দেখেছেন। তবে তিন বন্ধু এক মঞ্চে এই প্রথম। বিভিন্ন ধরনের গান হবে, গান হয়ে ওঠার গল্প হবে আর হবে আড্ডা। সঙ্গে আপনারা।
সে ছিল এক আশ্চর্য সময়। গান লিখছেন সাহির লুধিয়ানবি, সুর দিচ্ছেন শচিন দেব বর্মন, গাইছেন গীতা দত্ত বা মহম্মদ রফি, আর চিত্রায়ণ করছেনগুরু দত্ত।
গুরু দত্তের কাজ এবং তাঁর ব্যক্তি জীবন আলাদা করা খুব মুশকিল। কারণ এই দুই এর মাঝের সীমারেখা গুরু মানতেন না। যেমন “কাগজ কে ফুল”, যা প্রায় ব্যক্তি জীবনের সাথে মিলে যায়।
তবে এই অনুষ্ঠানে আমরা শুধু এই “নক্ষত্র সমাবেশ” যে-সব অসাধারণ মেলোডির জন্ম দিয়েছিলেন তাতেই মগ্ন থাকব। গানে থাকছেনজয়তী চক্রবর্তীযার রবীন্দ্রসংগীত আপনারা অবশ্যই শুনেছেন, তবে তাঁর কণ্ঠে গীতা দত্তের গান কলকাতা এর আগে শুনেছে বলে মনে তো হয় না। থাকছেন বর্তমান প্রজন্মের দুই অসম্ভব প্রতিভাবান শিল্পীশৌনকওশোভন।
সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিকল্পনা ও পরিচালনায় আছেন শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়।
এই সুযোগ রোজরোজ আসেনা। আপনার আসন এক্ষুনি বুক করুন।
প্রশ্ন উঠতেই পারে যে পোস্টারে ঋতুপর্ণ ঘোষের ছবি কেন? উত্তর হল বাংলা টেলিভিশনের ইতিহাসে যে গুটিকয়েক ধারাবাহিকের নাম উল্লেখ করা যায় তার মধ্যে অন্যতম হোল “গানের ওপারে”।
ঋতুপর্ণ ঘোষের ভাবনায় এবং জয়দীপ মুখোপাধ্যায়ের পরিচালনায় এই সিরিয়ালটির মাধ্যমে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫০তম জন্মবার্ষিকী উদ্যাপন করা হয়েছিল।
সিরিয়ালটির মূল আকর্ষণ ছিল এর আধুনিক রবীন্দ্রসংগীত এবং দুটি সম্পূর্ণ বিপরীত মেরুর মানুষের প্রেমকাহিনি। সোহিনী বা পুপে (মিমি চক্রবর্তী) ছিল রক্ষণশীল পরিবারের মেয়ে, অন্যদিকে গোরা (অর্জুন চক্রবর্তী) ছিল আধুনিক, উদ্দাম ও প্রতিভাবান। রবীন্দ্রসংগীতকে নতুন প্রজন্মের কাছে জনপ্রিয় করে তুলতে গোরার পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং তার ও পুপের সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়েই গল্পটি এগিয়ে যায়।
আমাদের গল্প শুরু হয় সেখানে যেখানে ধারাবাহিকের শেষ। যদিও মূলত এটি রবীন্দ্রসঙ্গীতের অনুষ্ঠান, গানের ফাঁকে ফাঁকে গোরা আর সোহিনীর দেখা হবে। গানের মাঝে নাটক নতুন কিছু নয়। তবে এখানে নাটক “শ্যামা, চিত্রাঙ্গদা শাপমোচনের অশ্রুমোচন” নয়। বাকিটা বলে দিলে স্পয়লার দেওয়া হয়ে যাবে। তাই ২৪ তারিখ সন্ধে সাতটায় দেখা হচ্ছে গানের ওপারে
আর যারা কপিরাইট ইত্যাদি ভেবে মাথা ঠাথা গরম করে ফেলছেন তাদের জন্য দু-একটা কথা ১) “গানের ওপারে” – শব্দ বন্ধটি রবীন্দ্রনাথের, আপনাদের মস্তিস্ক প্রসূত শব্দ বন্ধ নয়। ২) ক্যালিগ্রাফি আলাদা। অনেক গান আছে যা ধারাবাহিকে নেই ৩) আর সবথেকে বড় কথা এখানে চিত্রনাট্য লিখেছেন রোহিত-সৌম্য। যা মূল গল্পের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। সুতরাং আপনাদের তারা নক্ষত্রের জৌলুস আপনাদের, আমাদের তারারা নিতান্ত আটপৌরে, মধ্যবিত্ত বা লো বাজেট। কেস দেবেন না প্লিজ
সঙ্গীতে: শ্রাবণী সেন এবং সামন্তক — মূল ধারাবাহিকের প্লে-ব্যাক কণ্ঠশিল্পী। অভিনয়ে: মঞ্জিমা ও অগ্নি জিত সেন