ফাগুনিয়া ও মুন্নিবাঈ
- 27 Sep, 26
- 06:00 PM - 08:30 PM
- Rabindra Sadan: Kolkata
ফাগুনিয়া
- এই নাটকটি দশরথ মাঝির—যিনি এক দলিত সম্প্রদায়ের মানুষ ছিলেন—ভালোবাসার শক্তির ওপর ভিত্তি করে রচিত, জীবনের নানা সীমাবদ্ধতা এবং প্রকৃতির প্রতিকূলতার কারণে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে তিনি তাঁর প্রাণপ্রিয় স্ত্রী ফাগুনিয়াকে হারিয়েছিলেন……
- তিনি তাঁর প্রয়াত স্ত্রীর কাছে অন্যদের ভালোবাসা রক্ষা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তফসিলি জাতির অন্তর্ভুক্ত এই দরিদ্র মানুষটির তাজমহল গড়ার সামর্থ্য ছিল না; তাই ভালোবাসার সেই নিদর্শনটি টিকিয়ে রাখার তাগিদেই তিনি ধ্বংসযজ্ঞ শুরু করেছিলেন……..
- ইতিহাস হয়তো তাঁকে তাঁর প্রাপ্য সম্মান দিতে ভুলে গেছে, কিন্তু স্থানীয় মানুষ থেকে শুরু করে পর্যটকরা—সবাই তাঁর প্রতি শ্রদ্ধায় মাথা নত করেন, কারণ, হাতুড়ি ও ছেনি দিয়ে ২২ বছর ধরে পাহাড় কেটে তৈরি করা তাঁর সেই অসামান্য সৃষ্টি এক হাজারেরও বেশি মানুষের জীবন বাঁচিয়েছিল। তাঁর এই কাজের ফলে পাহাড়ি পথের দূরত্ব ৫৫ কিলোমিটার থেকে কমে ১৫ কিলোমিটারে নেমে এসেছিল………
- এটি কেবল কোনো গল্প নয়, বরং এক নিম্নবর্ণের মানুষের দ্বারা সংঘটিত একটি সত্য ঘটনা; এই কাহিনি এমন এক অকৃত্রিম মানবিক ভালোবাসার ওপর আলোকপাত করে যা অন্যদেরও দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হতে উদ্বুদ্ধ করে। আমাদের তথাকথিত সভ্য সমাজ ‘মাউন্টেন ম্যান’ দশরথ মাঝির জীবনকাহিনিকে পুঁজি করে প্রচুর অর্থ উপার্জন করেছে ঠিকই, কিন্তু প্রকৃত কাজের মাধ্যমে সেই দরিদ্র দলিত সম্প্রদায়ের অবস্থার উন্নয়নে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি।
- অধিকাংশ রাজনীতিবিদ এবং সমাজের প্রভাবশালী ব্যক্তিরা নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির উদ্দেশ্যেই এখানে আসেন, কিন্তু কেউই তাদের যথাযথ সহায়তা প্রদানে এগিয়ে আসেন না।
মুন্নিবাঈ
- মুনিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় কলেজে পড়ে, তার বাবা স্কুল শিক্ষক…. হঠাৎই একদিন বাড়ি ছাড়ে স্বাধীনতা আন্দোলনের টানে, ঋষি অরবিন্দের গোষ্ঠীতে যোগ দেয়, মুনিয়া জানতে পেরে বাবার পথ অনুসরণ করে, কলেজে পড়া চলতে থাকে ভালোবেসে ফেলে নির্মাল্য কে… হঠাৎই একদিন মুনিয়া জানতে পারে নির্মাল্য ব্রিটিশ পুলিশের গুপ্তচর, সে তার বাবাকে এবং তাকে ব্রিটিশ পুলিশের হাতে তুলে দিতে চায়….
- মুনিয়া দেরি করেনি, নিজের বন্দুক দিয়ে নির্মালকে হত্যা করে, তখন সে গর্ভবতী, কি করবে বুঝতে না পেরে ছুটে চলে যায় মুন্নিবাঈয়ের কঠিবাড়িতে, সবটা বলার পর মুন্নি ওকে নিজের কাছে রাখতে রাজি হয়। ওরা দুজনে মিলে স্বাধীনতা আন্দোলনের কাজ করতে থাকে ওই কুঠিবাড়িতে, মুন্নিবাঈ নিজের নামটাও মুনিয়াকে দিয়ে যায় এবং নিজে নাম নেয় রেশমিবাঈ…. কলকাতা ছেড়ে চলে যায় এলাহাবাদে, যোগ দেয় অন্য একটি গুপ্ত সমিতিতে….
- ব্রিটিশ পুলিশের গুপ্তচররা সবটা জানতে পেরে মুন্নিবাইকে গ্রেফতার করে, মুন্নী তখন তার মেয়ে রানীকে অনুরোধ করে তাকে হত্যা করার জন্য কারণ সে ব্রিটিশের কারাগারে যেতে চায়না…. কথামতো রানী সকলের সামনে নিজের মাকে হত্যা করে… সবটা জানতে পেরে এলাহাবাদ থেকে রেশমি ছুটে আসে, কিন্তু পুলিশের জালে সেও ধরা পড়ে, নাছোড় রেশমিবাঈ পুলিশকে হত্যা করে, কিন্তু নিজে বাঁচতে পারে না, পুলিশের গুলিতেই মারা যায়…..
- স্বাধীনতা আন্দোলনে এদের অবদান আমরা আজ প্রায় ভুলতে বসেছি…. নিজেদের জীবনকে বাজি ধরে তারা ভারতের স্বাধীনতা চেয়েছিল……
Venue: Rabindra Sadan
-
Premium @ ₹200
Stock:: 51 seats
-
General @ ₹100
Stock:: 39 seats
Premium₹200
General₹100
RELATED EVENTS
ফাগুনিয়া ও মুন্নিবাঈ
- 27 Sep, 26
- 06:00 PM - 08:30 PM
- Rabindra Sadan 71, AJC Bose Road,Kolkata
