The drama is based on a life of a magician who wanted to become famous. He had a dream that one day everybody will praise him for his unusual talent of magic. Magician was so much adamant that he started an expriement of giving life in dead bodies. He applied this trick over his son also. Then what happen? It will be revealed not by any human beings, but the insects, pests like spider, cockroach, rat, lizard, ants. Do they have any connection with the magician?
Story starts in the time of Mahalaya. The mysterious past of the magician will be revealed inside a haunted house where he used to get sheltered every night to search a particular thing. On the other hand every insect and pest family are anxious that the magician will sell this house and they will be homeless. So they unified against this man. Who are this insects? We can discover this as the play moves on.
Rabindranath Tagore’s Raktakarabi is a timeless play which remains relevant and essential through every age and decade.
The king is not well. Nandini is called to refresh the king. The power and wealth have made Yakshapuri darker. Technology dominates the soul. Humanity is lost. Life becomes dry and empty without love. Nandini sings the song of love for the half dead. In this journey, Nandini realises that love is impossible without a sense of politics.
The play, Raktokarabi, written hundred years ago is still a lighthouse in this dark time of civilization.
রাজা ভালো নেই। তাকে ভালো রাখতে আনা হল, নন্দিনী কে। ক্ষমতার দম্ভ আর সম্পদের অহংকারে অন্ধকার ঘনিয়েছে যক্ষপুরী ঘিরে। প্রাণকে পিষে ফেলে প্রযুক্তির তান্ডব। মানুষ মনুষ্যত্ব হারা। শুন্য, শুষ্ক,প্রাণহীন,প্রেমহীন।
তাদের ভালোবাসার কথা,বেঁচে ওঠবার কথা শোনায় নন্দিনী।ভালোবাসার পথে হাঁটতে হাঁটতে নন্দিনীও বুঝে ওঠে প্রেম আর রাজনীতি একে অপরের পরিপূরক। একশো বছর আগে লেখা রবীন্দ্রনাথের এই নাটক আজও আমাদের কাছে প্রাসঙ্গিক। অন্ধকারে আলোর দিশা।
বিদেশী শাসকের বিরুদ্ধে সামগ্রিক সংগ্রামের পয়লা সারিতে যে আদিবাসীরাও ছিল এবং সর্বাধিক আত্মত্যাগ করেছিল তা বিস্মৃত হলে ভারতের ইতিহাস রচনায় তাঁদের ভূমিকার যথাযথ মূল্যায়ন হয়না। বুর্জোয়া ঐতিহাসিকগণ হয় এ সত্যকে অস্বীকার করেন নয়তো স্থানীয় বিদ্রোহ বলে উল্লেখ করেন।
বিরসা, অনান্য আদিবাসী বিদ্রোহের ক্রমানুযায়ী আধুনিক মানুষ। বিরসা তার জীবদ্দশাতেই ওরাল ট্র্যাডিশনে জায়গা পেয়ে যায় তার সময় ও সমাজের চেয়ে চিন্তা ও প্রতিবাদে অগ্রসর হওয়ার সুবাদে। ক্রিশ্চান হয়েছিল, মিশনারীদের বিশ্বাস করতে চেয়েছিল; কিন্তু চলে আসে ‘ সাহেব সাহেব এক টোপি হ্যায়’ বলে। হিন্দু সর্দার, সন্ন্যাসী, বৈষ্ণব, এদেরকে বিশ্বাস করতে চেয়েছিল, কিন্তু বুঝেছিল এরা বিশ্বাসী ধর্মান্তকরনে, কুসংস্কারে। বুঝেছিল এই কুসংস্কারের হাত থেকে বাঁচাতে হবে মুন্ডারীদের।
বিরসার অভ্যুত্থান দমন করতে ইংরেজ আগ্রহী হয়, কারন সে মর্ডান ম্যান। বিরসা, তার জ্ঞান-বুদ্ধি-চেতনা ও বিবেকমতো মুন্ডারীদের প্রতিবাদ করতে শিখিয়েছিল। বিশ্বমানবকে অরন্য-জল-পরিবেশ রক্ষায় সেনানী হতে বলেছিল। গাছ, মাটি, জল বাঁচাবার প্রয়োজনীয়তা আজ পৃথিবীর মানুষ বোঝে, তাই বিরসার অরণ্যচেতনায় প্রানদান বৃথা যায়নি।
বিরসার ১৫০তম জন্ম জয়ন্তীতে বিরসা কে প্রনাম আমাদের ‘উলগুলান’ এর মধ্য দিয়ে।
রূপালী পর্দার নেশায় একটি মেয়ে গ্ৰামের বাড়ী থেকে পালিয়ে কলকাতায় আসে , তারপর তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায় না ।এর বেশ কিছুদিন পর মেয়েটির দাদা এসে সেই রহস্যের উন্মোচন করে ও তার প্রতিশোধ নেয় ।
“হনুমতী পালা” নাটকটি বিখ্যাত নাট্যকার মনোজ মিত্রের লেখা একটি রামায়ণী পালা নাটক। রায়গঞ্জ ইন্সটিটিউট প্রযোজিত এবং রাখী দে সরকারের নির্দেশনায় তৈরী এই নাটকে হাস্যকৌতুকের মাধ্যমে লঙ্কাপতি রাবণের অশোকবনে বন্দী সীতাকে উদ্ধারের বর্ণনা রয়েছে, আর পাশাপাশি নিস্পেষিত, অবহেলিত এক নারী সমাজের চিত্রও ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এই পালায় সীতাকে উদ্ধার করতে হনুমান নয়, পাঠানো হয়েছে হনুমতীকে যে কিনা এক নারী এবং এই পালা তে সে নারী শক্তির প্রতীক।
পুরুষতান্ত্রিক সমাজে পুরুষেরা মেয়েদের ভাবতে বাধ্য করে যে তাদের নিজস্ব ভাবনার কোনো অস্তিত্ব অবশিষ্ট নেই, “রাবণের” স্ত্রী “মন্দোদরী” একজন ধর্মপরায়ণ , পতিসেবায় মগ্ন নারী। একজন মহারানী হয়েও তার অন্তরের নারীশক্তি কখনোই প্রষ্ফুটিত হওয়ার সুযোগ পায়নি, সে সুখ খুঁজে নেয় স্বামীর সুখেই, নিজের ইচ্ছে শক্তিকে প্রশয় না দিয়ে সে সর্বদাই স্বামীসেবায় মগ্ন। অপরদিকে কুম্ভকর্ণের স্ত্রী “বজ্রজ্বালা” স্বামীসুখ থেকে বঞ্চিত হয়ে সারাদিন কলকের নেশায় আচ্ছন্ন হয়ে থাকে। তার স্বামী ছয় মাস জাগ্রত এবং ছয়মাস নিদ্রিত অবস্থায় থাকেন।
সেই বেদনা থেকে মুক্তি পেতেই তিনি নেশাকে আঁকড়ে ধরে বেঁচে থাকতে চান। বিভীষণ এর স্ত্রী ষড়মা অস্ত্র চালনায় পারদর্শী , রাজকার্য জানা বিচক্ষণ একজন মহিলা , তার স্বামী ন্যায়বান একজন মানুষ, সীতার মুক্তির দাবীতে রাবণ রাজ কে সম্মত করতে গিয়ে বিতাড়িত হতে হয়েছে তাকে লঙ্কাপুরী থেকে,সেই ব্যাথা বুকে নিয়ে ষড়মা প্রশাসনিক কাজ নিজ দক্ষতায় হাতে তুলে নিয়েছে, কিন্তু এই লঙ্কারাজ্য যে কতখানি মিথ্যা দ্বারা আবৃত এবং তার শাসনব্যবস্থা যে কতখানি নিম্নমানের এবং সেটা বদলের শক্তি যে ষড়মার নিজের হাতেই রয়েছে সেই বিশ্বাস তার মধ্যে কোনোদিন জন্মায়নি।
কিন্তু সীতা উদ্ধারের জন্য আসা হনুমতি যে কিনা হনুমানেরই নারীসত্তা, অন্দর মহলের সকল নারীর মনে প্রতিবাদের বীজ বপন করে দিয়েছিলো। সীতা উদ্ধার এক প্রতীকী রূপ যার মাধ্যমে পুনরুদ্ধার হয় নারীর স্বত্তা ,জাগ্রত হয় নারীশক্তি, আর এভাবেই নারীরা অবশেষে বুঝতে পারে যে, “একমাত্র মেয়েরাই পারে মেয়েদের উদ্ধার করতে” ।
স্বাধীনতা হীনতায়
এই নাটক এমন এক পরিবারকে নিয়ে যারা অত্যন্ত স্বাধীনতাপ্রেমী। সেই স্বাধীনতার বিনিময়মূল্য যাই হোক না কেন, তারা সকলে যে কোনকিছুর বিনিময়ে বেছে নেয় স্বাধীনতাই।
কিন্তু স্বাধীনতা পেলেই কি সবাই সেই স্বাধীনতার মূল্য দিতে পারে? বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই স্বাধীনতা হয়ে ওঠে স্বেচ্ছাচারিতার নামান্তর মাত্র। দিনশেষে তখন মানুষ ফিরতে চায় বন্ধনের মাঝেই।
এই নাটকের কেন্দ্রীয় চরিত্র গজানন্দ। তাকে ঘিরেই এই টানাপোড়েন। গল্পের প্রয়োজনে কখনও তার সঙ্গে দেখা যায় তার বোন সুমিত্রাকে, কখনও বাবা সদানন্দকে, আবার কখনও স্ত্রী তিস্তাকে। এরা সকলেই বিভিন্ন সময়ে স্বাধীনভাবে বাঁচতে চায়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেইভাবে বাঁচায় অস্থির হয়ে ওঠে চারপাশের সবাই, এমনকি নিজেরাও।যে ছোট গল্প অবলম্বনে এই নাটক, সেটি লিখেছেন রমানাথ রায়। সেই গল্পের নাট্যরূপ দিয়েছেন শ্রী বিভাস চক্রবর্ত্তী।
Bengal, under British rule, saw the emergence of militant nationalism through the over whelming participation of youngsters in the anti-colonial struggle. Devoid of fear and ready to face the consequences, these ordinary boys became martyrs as they willingly sacrificed their lives to protect the dignity of the motherland.
Not only were patriots like Kanailal Dutta, Satyendranath Basu,Barindra Kumar Ghose,Hemchandra Kanungoand Khudiram, a part of this revolt but also dabbler rebels like Naren Gossain, who fell prey to British chicanery.
Moored in today s timeline, Anya Theatre s latest production captures snapshots of the bygone era as they come through the fractured consciousness of Babar and we witness the extraordinary deeds of courage shown by the young boys in the face of mortal danger.
Their courage contrasts with “hobby revolutionaries” like Naren Gonsai and today’s passive figures like Somraj, questioning true commitment to liberation ideals.
” এই নাটকটি সত্যমূলক। এর ঘটনাটি কোথাও ঘটেছে কি না ঐতিহাসিকের ‘পরে তার প্রমাণসংগ্রহের ভার দিলে পাঠকদের বঞ্চিত হতে হবে। এইটুকু বললেই যথেষ্ট যে, কবির জ্ঞানবিশ্বাসমতে এটি সম্পূর্ণ সত্য।
ঘটনাস্থানটির প্রকৃত নামটি কী সে সম্বন্ধে ভৌগোলিকদের মতভেদ থাকা সম্ভব। কিন্তু সকলেই জানেন, এর ডাকনাম যক্ষপুরী। পণ্ডিতরা বলেন, পৌরাণিক যক্ষপুরীতে ধনদেবতা কুবেরের স্বর্ণসিংহাসন। কিন্তু এ নাটকটি একেবারেই পৌরাণিক কালের নয়, একে রূপকও বলা যায় না। যে জায়গাটার কথা হচ্ছে সেখানে মাটির নীচে যক্ষের ধন পোঁতা আছে। তাই সন্ধান পেয়ে পাতালে সুড়ঙ্গ-খোদাই চলছে, এইজন্যেই লোকে আদর ক’রে একে যক্ষপুরী নাম দিয়েছে। “
“জেলেদের জালে দৈবাৎ মাঝে মাঝে অখাদ্য জাতের জলচর জীব আটকা পড়ে। তাদের দ্বারা পেট-ভরা বা ট্যাক-ভরার কাজ তো হয়ই না, মাঝের থেকে তারা জাল ছিঁড়ে দিয়ে যায়। এই নাট্যের ঘটনাজালের মধ্যে নন্দিনী-নামক একটি কন্যা তেমনিভাবে এসে পড়েছে। মকররাজ যে বেড়ার আড়ালে থাকেন সেইটেকে এই মেয়ে টিকতে দেয় না বুঝি। ” রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর