সাঁকো
- 11 May, 26
- 06:00 PM - 08:00 PM
- Academy of Fine Arts: Kolkata
- সাল ১৯৫০। ১৯৪৬ এর কুখ্যাত ক্যালকাটা কিলিং এর জ্বলন্ত স্মৃতির সাথে সদ্য ঘটে যাওয়া দেশভাগের ক্ষত তখনও দগদগে। স্বাভাবিক জীবনে ফেরার চেষ্টায় দুই বঙ্গের মানুষ। তবু তারই মধ্যে দুই বাংলার মাটিতেই আছড়ে এসে পড়ল আবার একটা দাঙ্গা।
পূর্ব বাংলা থেকে আসা সঙ্গীত প্রিয় নিরীহ মুসলমান ছেলে মহসিন গান শুনতে এসে আক্রান্ত হল এ পার বাংলায়। প্রাণ বাঁচানোর তাগিদে আশ্রয় নেওয়া আর এক সঙ্গীতপ্রেমী হিন্দু যুবক সাগরের ঘর থেকেই ধরা পড়ল সে দাঙ্গাবাজদের হাতে। তারপর ৪ বছর কেটে গেছে। ওপার বাংলায় হতভাগ্য মহসিনের আব্বা, আম্মা আর বোন এখনো প্রতীক্ষায়। এদিকে বিবেকের তাড়নায় দগ্ধ সাগর তার ভাই শঙ্করকে নিয়ে পৌঁছায় এই হতভাগ্য পরিবারের দরজায় নিজের পাপ স্খলন করতে, প্রায়শ্চিত্তের উদ্দেশ্যে, ক্ষমা প্রার্থী হয়ে। শুরু হয় ভাগ্যের অদ্ভুত পরিহাস। হত্যাকারী নয় বরং ত্রাণকর্তা হিসেবেই সাগরকে বুকে টেনে নেয় আব্বা, আম্মা আর বোন কারণ কাকতালীয় ভাবে ৪৬ এর দাঙ্গাতেও একই ভাবে মৃত্যুমুখে পড়েছিল মহসিন ওই কলকাতাতেই এবং সেবার যে হিন্দু যুবকের সাহায্যে সে প্রাণ নিয়ে ফিরতে পেরেছিল তার নামও ছিল সাগর। - এরপর একাধারে শুরু হয় সাগরের বিবেক দংশন আর অপর দিকে মহসিনের পরিবারের তরফ থেকে স্নেহের বর্ষণ। অবশেষে সকল বিভ্রান্তি কাটিয়ে সাগর তার পাপ স্বীকার করে মহসিনের বোন জবার কাছে এবং সাগরকে হতবাক করে জবা ক্ষমা করে দেয় শুধুমাত্র ভালবাসার জোরে বা বলা ভালো জীবিতদের প্রতি ভালবাসার জোরে। সেই আলোতে সাগর দেখতে পায় হিংসা ও ধর্মান্ধতার উর্ধ্বে জেগে থাকা সুবিশাল অখণ্ড এক জাতিকে যারা বেঁধে আছে একটাই সাধারণ সূত্রে-তারা বাঙালী, তাদের মাতৃভাষা বাংলা। মধ্যে বয়ে যাওয়া পদ্মা বা সীমান্তে নতুন গজিয়ে ওঠা কোন কাঁটাতারের সাধ্য নেই যা ছিন্ন করবার।
- পরিশেষে সকল সঙ্কীর্ণতা কাটিয়ে হিন্দু বাঙালী যুবক সাগর, বাংলাদেশী মুসলিম যুবতী গুলশান বানু ওরফে জবার হাত ধরে ঝাঁপ দেয় এক বাংলার দাবিতে। পেছনে পড়ে থাকে কিছু মানুষ যারা আগে হিন্দু,আগে মুসলিম তারপর বাঙালী। যারা পাশাপাশি বাস করতে হয়তো তৈরি কিন্তু এক হতে আজও তৈরি নন।
Venue: Academy of Fine Arts
-
Premium @ ₹500
Stock:: 70 seats
-
Gold @ ₹300
Stock:: 72 seats
-
Silver @ ₹200
Stock:: 59 seats
-
General @ ₹100
Stock:: 42 seats
Premium₹500
Gold₹300
Silver₹200
General₹100
