
Archives: Events
আঙিনা জুড়ে ভোর
তৃতীয় বর্ষ বরাক বাংলা নাট্য উৎসব
- “Angina Jure Bhor” is a theatre production that talks about losing cultural spaces which involves the disappearance of places, practices, and intangible aspects of a community’s heritage, driven by factors like globalization, urban development, climate change, conflict, and assimilation.
- This loss erodes community connection, identity, and valuable knowledge, leading to cultural homogenization and decreased societal resilience.As the news of another iconic theatre auditorium of the city, named Circarena, built in 1976,being in ruins and decay resurfaces, we are left with the pertinent question of asking ourselves, “How long will the other theatre spaces/ auditoriums be able to keep afloat? Or it’s just a matter of time before they will be turned into ruins.
- The play begins with the entry of a young research scholar named Nafiz, who visits Joydeb Debsharma, the present owner of an imaginary, old,and dilapidated theatre hall named RadhaRani Mancha, located somewhere in North Kolkata.Joydeb Debsharma is an octogenarian living with his blind wife, Damayanti Sen, who is also suffering from mild cognitive impairment.
- Joydeb is initially hostile towards Nafiz and shows no interest in helping Nafiz with his research project, but after much persuasion, he finally gives in and starts narrating his story to Nafiz. He is entrapped by the miraculous journey of a young Gomira Dancer from a small village of Khagail in Dinajpur, lured into the world of Kolkata theatre.
- As Nafiz navigates through the many mysteries of the RadhaRani Mancha, he realises the unparalleled love of this old man for theatre and this auditorium.
নৌকাডুবি
তৃতীয় বর্ষ বরাক বাংলা নাট্য উৎসব
- রবিঠাকুরের অন্যতম জনপ্রিয় উপন্যাস ‘নৌকাডুবি’। ১৯০৬ সালে নিজের সাহিত্য পত্রিকা ‘বঙ্গদর্শন’-এ প্রথমবারের মতো উপন্যাসটি প্রকাশিত করেন কবিগুরু।
- প্রেম-বিরহ, ভাগ্য, সামাজিক বাধ্যবাধকতা ও নৈতিকতার তুমুল টানাপোড়েনের গল্পে সাজানো এই উপন্যাসের মূল চারটি চরিত্র; হেমনলিনী, রমেশ, কমলা ও নলিনাক্ষ। উপন্যাসের এই চরিত্রগুলির দ্বন্দ্ব সিনেমার পর্দায় নিয়ে এলেন বিশিষ্ট চলচ্চিত্রকার ঋতুপর্ণ ঘোষ। সেটা ২০১১ সাল।
- মূলত ঋতুপর্ণ ঘোষের চিত্রনাট্য অবলম্বন করেই নাটক হিসেবে ‘নৌকাডুবি’কে মঞ্চে নিয়ে আসার কঠিন প্রয়াস করেছি আমরা। এই প্রযোজনাটি সত্যিকার অর্থেই এক বরাক-বাংলা যৌথ উদ্যোগ। কারণ, নাটককার, নির্দেশক সহ প্রত্যেক কুশীলব আসামের বরাক উপত্যকার হলেও, প্রযোজনাটির সঙ্গীতায়োজন ও আবহ নির্মাণ হয়েছে কলকাতায়।
- দোহারের সুদীপ্ত চক্রবর্তী সৌম্য কলকাতার ‘প্রসাদ কহে’ স্টুডিওতে আবহ নির্মাণের কাজ করেছেন। কন্ঠ দিয়েছেন ভূমিকা গঙ্গোপাধ্যায়, সুতীর্থ চক্রবর্তীর মতো তরুণ প্রজন্মের জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পীরা।
- বিভিন্ন বাদনেও ছিলেন বাংলা বা কলকাতার সুপরিচিত সব শিল্পী। আর; বাংলার দুই ভুবনের যৌথ প্রয়াসের মাধ্যমেই আমরা শ্রদ্ধার্ঘ্য জানানোর সাহস করি, রবীন্দ্রনাথ ও ঋতুপর্ণের মতো দুই কালজয়ী সৃজনশীল মানুষকে।
ইনোচি
- পৃথিবী যত এগিয়ে যাচ্ছে তার দ্বিগুণ গতিতে পিছিয়ে যাচ্ছে ছেলেবেলার হৈ হুল্লোর,বেড়ে ওঠার আনন্দ, গাছ পাখি আর মানুষ দেখার চোখ । তবু হারিয়ে যখন যায়নি তখন আমাদেরকেই চেষ্টা করতে হবে আমাদের শৈশব কে নতুন প্যাকেটে বেঁধে নতুন যৌবনের হাতে তুলে দেওয়ার।
- A.I যেমন এসেছে তেমন ওদের ঘরে চলে এসেছে IAD, DA, SDD অথবা Reality Distortion এর মতো ভয়ঙ্কর কিছু সাইকোলজিক্যাল সমস্যা। আর এই সমস্যা আর সমাধান নিয়েই “ইনোচি” ।
- যা আসলে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে দিতে চাইছে ৯০ দশকের ছেলেবেলা ।
ভালো পাহাড়
- একটি পাহাড় চূড়ায় আধা তৈয়ার হোটেলের ঘরে গুটিকয়েক মহিলার বই-ঠেকখানা। কিন্তু শুধুমাত্র সাহিত্যের পাঠ নয়, বরং এই অ্যানথ্রোপোসিন সময়ে দাঁড়িয়ে তারা তাদের কাহিনী বুনে চলে । সুদূর – নিকট আর বর্তমান মিলিয়ে মিশিয়ে এক আধা অন্ধকারের সম্পর্ক তৈরি করে এরা। বিশ্বস্ততা ও বিশ্বাসঘাতকতার স্থির দৃষ্টিতে ঝরতে থাকে বিষ। কারোর মন ভোগের ব্যসনে তৃপ্ত, তাই সতর্ক; কেউবা নষ্ট প্রকৃতিকে সুস্থ করার স্বপ্ন দেখে, রুক্ষ পাথরের মধ্যেও খুঁজতে থাকে সবুজ, দু’মুঠোতে সূর্য কিরণ ছড়িয়ে দেবার স্পর্ধায় বাজি রাখে হৃদস্পন্দন। অন্দর-বাহিরে এখন যেন চলছে এক দখলদারীর সন্ত্রাস। বেদখল হয়ে যাচ্ছে আমাদের পার্শ্ব ও স্পর্শ। শুধু তো প্রকৃতি নয়, আমাদের যাবতীয় ঐতিহ্য-স্মৃতি-স্থিতি ও সম্পর্ক নিয়ে যে স্বেচ্ছাচার আর স্বৈরাচার তার নির্লজ্জ বাস্তবে আসুন একবার দাঁড়াই ‘ভালো পাহাড়’-এ হেলান দিয়ে।
নষ্ট নটী
পরিচালনা : শ্রীনাথ পাল,
সম্পাদনা: উৎপল মিত্র,
পরিমার্জন ও পরিবর্ধন : দেবস্মৃতি পাল এবং সুদীপ্ত দেবনাথ,
আবহ ভাবনা: কৌশিক সজ্জন,
মঞ্চ ও পোশাক : অজয় প্রধান,
আলো: দেবাশীষ চক্রবর্তী এবং শুভঙ্কর লাহিড়ি
রূপ সজ্জা: রুণু দত্ত ও কৃষ্ণেন্দু দত্ত
সংগীত পরিচালনা: মনস্বী চৌধুরী,
কোরিওগ্রাফি: তন্ময় যাদব এবং পারদর্শিনী পাল
ব্যবস্থাপনা : বাগবাজার তরুণ ব্যয়াম সমিতি
প্রচার : সিঞ্জন হাজরা ও সুকান্ত মণ্ডল
কণ্ঠে:শ্রীষা গাঙ্গুলি ,সৃষ্টি সাহা,সঞ্চিতা সাহা,মনস্বী চৌধুরী,সৌমিত্র দাশগুপ্ত,অম্লান গাঙ্গুলি,পায়েল সামন্ত
সহযোগিতা : ইলোরা দে, অরুণকান্তি সেন, সৌম্যজিৎ ঘোষ, প্রদীপ পাত্র, দীপা রায়, ইন্দ্রনীল মুখার্জী, সুরশ্রী রক্ষিত, অরূপ রায়
অভিনয় : সৌমিত্র দাশগুপ্ত, অর্ঘ্য দাঁ, সিঞ্জন হাজরা, অম্লান গাঙ্গুলি, উজ্জ্বল দত্ত, সারদামনি বিশ্বাস, রাজর্ষি মন্ডল, পাপিয়া জানা, প্রদীপ রায়, তাপস সাহা, শিল্পা সাঁতরা, সাদৃতা কুন্ডু , রোহন পাত্র, প্রসূন চ্যাটার্জী, কৌস্তভ রায়, হিমশ্রী সাহা, পারদর্শিনী পাল, মোনালিসা ঘোষ, সুদীপ্ত দেবনাথ এবং শ্রীষা গাঙ্গুলি
সহ পরিচালনা ও প্রযোজনা নিয়ন্ত্রণ : নিরূপ দাশগুপ্ত
প্রথম রাজনৈতিক হত্যা
- Bengal, under British rule, saw the emergence of militant nationalism through the over whelming participation of youngsters in the anti-colonial struggle. Devoid of fear and ready to face the consequences, these ordinary boys became martyrs as they willingly sacrificed their lives to protect the dignity of the motherland.
- Not only were patriots like Kanailal Dutta, Satyendranath Basu,Barindra Kumar Ghose,Hemchandra Kanungoand Khudiram, a part of this revolt but also dabbler rebels like Naren Gossain, who fell prey to British chicanery.
- Moored in today s timeline, Anya Theatre s latest production captures snapshots of the bygone era as they come through the fractured consciousness of Babar and we witness the extraordinary deeds of courage shown by the young boys in the face of mortal danger.
- Their courage contrasts with “hobby revolutionaries” like Naren Gonsai and today’s passive figures like Somraj, questioning true commitment to liberation ideals.
আক্ষরিক
অনীকের নবনাট্য “আক্ষরিক” ~ ইতিহাসকে ফিরে দেখা,স্বীকৃতি পাওয়া না পাওয়ার কথা
- বাংলা ভাষার প্রথম অক্ষরশিল্পীর নাম পঞ্চানন কর্মকার। যদিও বাংলা মুদ্রণযোগ্য সামঞ্জস্যপূর্ণ হরফছাঁদ তৈরির উদ্যোগ নিয়েছিল বৃটিশরা, মূলতঃ ধর্মপ্রচার, বানিজ্য ও শাসনের জন্য। ন্যাথানিয়াল ব্রাসো হালহেড ও চার্লস উইলকিন্স ছিলেন অগ্রনী। কিন্তু সুসমঞ্জস শৈল্পিক হরফছাঁদ নির্মাণের অক্ষরশিল্পী পঞ্চানন কর্মকারের নাম অনুল্লেখ থেকে গেল সচল-হরফ নির্মাণের ইতিহাসে।
- শিল্পী পঞ্চানন ১৭৭৫ থেকে ১৭৭৮ সাল অবধি সারাদিন ও রাত এক করে বাংলা ভাষার হরফছাঁদ ( পাঞ্চ) তৈরি করে গেছেন। ১৭৭৮ সালে ন্যাথানিয়াল ব্রাসো হালহেড লিখিত A Grammar Of Bengali Language বইতে ছাপা হল প্রথম বাংলা সুসমঞ্জস হরফছাঁদ। বইয়ের কোথাও উল্লেখ করা হলো না অক্ষরশিল্পী পঞ্চানন কর্মকারের নাম। চার্লস উইলকিন্সের নাম প্রচারে এলো। পঞ্চানন কর্মকার হার না মানা এক অনন্য শিল্পীকে চিনেছিলেন উইলিয়াম কেরি।
- কেরি নিয়ে আসেন পঞ্চানন কর্মকারকে বৃটিশদের খপ্পর থেকে শ্রীরামপুর মিশন প্রেসে। পঞ্চানন কর্মকার আরও শৈল্পিক ও সুন্দর করে তুলেছেন বাংলা হরফ যা পরবর্তীতে বিদ্যাসাগর এসে সংস্কার করে আমাদের হাতে তুলে দিলেন ‘বর্ণপরিচয়’ (১৮৫৫)। কিন্তু আড়ালে চলে গেল এক লড়াকু অক্ষরশিল্পীর লড়াই করার কথা। আজ যখন চারপাশে ইতিহাসকে ভুলিয়ে দেওয়ার নয়া-ইতিহাস নির্মাণের চেষ্টা চলছে তখন বাঙালি হিসেবে বাংলা ভাষার এক অক্ষরশিল্পীর আখ্যানকে মঞ্চে আনা খানিকটা দায় আমাদের। শ্রদ্ধা জানানোও বটে।
রজত চক্রবর্তীর উপন্যাস ‘পঞ্চাননের হরফ’ আধারিত দেবাশিসের নাট্যনির্মাণে অনীক প্রযোজনা
উড়ন্ত তারাদের ছায়া
- ১৭৩৯ সাল। নাদির শাহ উঠে বসেছেন ‘রৌশন-উদ-দৌলা’ মসজিদের চূড়ায়। দেখছেন দিল্লী জ্বলছে। দিল্লী পুড়ছে। মোগল সেনাদের সাথে সাথে আমজনতার রক্তে ভেসে যাচ্ছে শহরের পথঘাট।
- দাদী মেহের পরভীনের কামরা থেকে হেঁটে ‘নহর হি বেহস্ত’এর কাছে খালি পায়ে এসে দাঁড়ালেন দ্বাদশ মোগল সম্রাট মুহাম্মদ শাহ। লাল কেল্লার পাশে, সালিমগড় দূর্গের সামনে, যমুনা নদীর করুন স্রোতধারায় তখন ঝুঁকে পড়েছে সূর্যের নিভন্ত ছায়া। এবারে তাঁকে হাতজোর করে নিজের মুন্ডুর বদলে দিল্লীবাসীর প্রাণভিক্ষা করতে হবে পারস্যের লুঠেরার কাছে।
- ওদিকে নির্জন ময়ূর সিংহাসনের গায়ে কালো পিঁপড়ের দল সার বেঁধে উঠে চলেছে। ‘দেওয়ান-ই-আম’এর বাম কোনের বাতি থেকে চুয়ে পড়া হলুদ আলোয় দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ হীরা ‘কোহিনূর’ জ্বলে আছে। একটা অল্পবয়সী কালো পিঁপড়া সেই হীরার গায়ে চড়তে গিয়ে মাটিতে পিছলে পড়ে গেলো। কেউ খেয়াল করলো না, সে আবার উঠে দাঁড়িয়েছে।
যদি আর একবার
- কেমন হতো, যদি সব সাধ পূর্ণ হয়ে যেতো?? যেমন এই নাটকে বিবাহিত পুরুষ নিজের স্ত্রীর বাইরে চাইছে অন্যকে, বিবাহিত নারী তার স্বামীর মধ্যে খুঁজে পাচ্ছে না সবটুকু, কিংবা আকাঙ্ক্ষা করছে অবিবাহিত স্বাধীন জীবনের ; আবার অবিবাহিত রূপসী চাইছে সুখী গৃহকোণ! হঠাৎ একদিন বুডঢা জিনের কারসাজিতে তারা পেয়ে গেলো কাঙ্ক্ষিত সব কিছু। কিন্তু তাতেই কি পূর্ণ হলো সব স্বপ্ন?? নাকি সব পেয়েও অতৃপ্তির ঘোর কাটলো না তাদের?? সমুদ্রের নোনা বাতাসে এখন কি শুধুই ভুলের মাশুল গোনার পালা, নাকি আর এক আরম্ভের জন্য অন্তহীন প্রতীক্ষা….
এইরকমই আপাত হাসি-মজার মোড়কে জীবন জিজ্ঞাসার খোঁজে বাদল সরকারের জন্ম শত বর্ষে রঙরূপের নতুন প্রযোজনা ‘যদি আর একবার… ‘
