তাহাদের কথা…

সূত্র: লোরকা রচিত ‘দ্য হাউস অফ বার্নার্ডা আলবা’

  • ‘দ্য হাউস অফ বার্নার্ডা আলবা’— লোরকার এই নাটকটি পড়েছিলাম গত শতাব্দীর শেষদিকে। মানব-মানবীর অন্তর্জগতের ‘যাপন-চিত্র’ যেভাবে এ নাট্যে আদিমতা ও আধুনিকতার এক বিরল সংমিশ্রণ ঘটেছে— একজন নাট্যচর্চাকারী হিসেবে তাকে আবিষ্কার করার প্রয়াস আমার এই রূপান্তর প্রক্রিয়া। ‘প্রাচ্য’র সাম্প্রতিক অতীতের নাট্য প্রযোজনাগুলির থেকে একটু ভিন্ন গোত্রের হলেও ভিন্ন পথের নয়। সমাজের বিশৃঙ্খল ও দিশাহীন অবস্থার মধ্যে দাঁড়িয়ে, ব্যক্তিসত্তার পূর্ণস্বাধীনতা উচ্চারণের ক্ষেত্রে রাষ্ট্র ও ধর্মীয় মোড়লদের তৈরি করে দেওয়া সমাজবস্থিত পরিবার কাঠামো নিয়ন্ত্রক সর্দারদের কায়েমি স্বার্থকে ভেঙে দিয়ে যে সভ্যতার অগ্রগতির রোডম্যাপ, তা একই সঙ্গে সমকালীন ও আধুনিক।
  • শ্রদ্ধেয় সৌম্যেন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘সমকালীন ও আধুনিকতা’ প্রবন্ধের একটি অংশ এই নাট্যের গ্রহণযোগ্যতার ও প্রয়োজনীয়তার ছাড়পত্র হতে পারে—
  • ‘খাঁচা নয়, আকাশ হচ্ছে পাখির আশ্রয়, মানুষের মনেরও আশ্রয়-ভূমি সমাজের আচারবদ্ধতার খাঁচায় নয়, মুক্তির আকাশে। এই মুক্তিলাভের জন্য মন বিদ্রোহ করে সমাজের গতিরুদ্ধকারী আনুষ্ঠানিকতার ও আচারবদ্ধতার বিরুদ্ধে কিন্তু এই বিদ্রোহ শুধু ভাঙনের মত্ততা নয়, সৃষ্টির আবেগই এই বিদ্রোহের প্রাণশক্তি।’
  • এই নাটকের মধ্যে চরিত্রগুলি সেই খাঁচা থেকে বেরিয়ে, মুক্ত আকাশে, ডানা মেলে উড়তে চায়। সেই আকাঙ্ক্ষার মঞ্চভাষ্য গড়ে তোলার প্রয়াসী হয়েছি।
Share Event:

দায় আমাদেরও

  • দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ। অক্ষশক্তি পর্যুদস্ত। জয় হয়েছে মিত্র শক্তির। পৃথিবী বিধ্বস্ত, শুধু এক সোভিয়েত ইউনিয়নেই প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় তিন কোটি মানুষ। অগণিত মৃত্যু হয়েছে বিভিন্ন কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পে। সান ফ্রান্সিসকো কনফারেন্সে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রুম্যান ঘোষণা করেছেন এক যে মিলিটারি ট্রাইব্যুনাল তৈরি হয়েছে, যার সদস্য গ্রেট ব্রিটেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স ও সোভিয়েত ইউনিয়ন। এই ট্রাইব্যুনাল মিত্র বাহিনীর হাতে ধরে পড়া সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ নাৎসি নেতাদের বিচারে বসেছে ও বারোজনের ফাঁসীর নির্দেশ দিয়েছে (১৯৪৬)।  বিচার সভা বসে নুরেমবার্গ শহরের ‘প্যালেস অফ জাস্টিস’-এ। নুরেমবার্গ শহরকে বাছার কারণ কিছুটা প্রতীকী। এক তো এখানে খুব গুরুত্বপূর্ণ সব নাৎসি র‍্যালি হয়েছে, আর দ্বিতীয়ত যে জাতিভেদের আদর্শের ওপর নাৎসিবাদ দাঁড়িয়ে সেই কুখ্যাত নুরেমবার্গ ল্য(১৯৩৫)-এর এটা পীঠস্থান। এই বিচারের পর কথা হয়েছিল আরেকটি বিচার অনুষ্ঠানের যাতে জার্মান শিল্পপতিদের বিচার হবে, কিন্তু  ট্রাইব্যুনালের সব সদস্য দেশ তাতে একমত হতে না পারায় সে বিচার হয় নি। 
  • কিন্তু এরপরেও বারোটি আলাদা বিচার সভা বসে ওই প্যালেস অফ জাস্টিসেই। বিচারের ভার আর আন্তর্জাতিক মিলিটারি ট্রাইব্যুনালের হাতে ছিল না। এই বারোটি বিচার সভা বসায় মার্কিন মিলিটারি কোর্ট। এর মধ্যে সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ হল ‘চিকিৎসকদের বিচার’(১) ও ‘বিচারকদের বিচার’(৩)। এই তিন নম্বর বিচারটির ওপরেই এ নাটক আধারিত। এ্যাবি ম্যান রচিত চিত্রনাট্য ‘জাজমেন্ট এ্যাট নুরেমবার্গ’ এ নাটকের টেক অফ পয়েন্ট। মূলের সাথে মিল ও অমিল দুইই অনেক। এখানে যে তিনজন বিচারকের বিচার হচ্ছে তাঁরা হচ্ছেন এমিল হান, হফস্টেটার ও আরনস্ট জেনিঙ। এই শেষোক্ত ব্যক্তই বিশেষ আলোচনার দাবী রাখেন। তিনি পণ্ডিত, তাঁর লেখা বই বিভিন্ন দেশে আইনের ক্লাসে পড়ানো হয়, তিনি ছিলেন ফুরারের আইন সভার সম্মানিত ও সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। আর সব থেকে বড় কথা তিনি একজন বিবেকবান মানুষ। কিন্তু এতদ সত্বেও তিনি নাৎসিদের সঙ্গ ছাড়েন নি, বিভিন্ন নাৎসি কুকীর্তিতে অংশ নিয়েছেন এবং এখন বুঝছেন কি ভুল তিনি করেছেন।
  • যুদ্ধে এক দল হয়ে বিজয়ী, এক দল হয় বিজিত, আর বিজয়ীরা সব সময়েই বিজিতদের তোলে আসামীর কাঠগড়ায় এর মধ্যে নতুন কিছু নেই। যদি যুদ্ধের ফলাফল এর উলটো হত হয়ত এর বিপরীত এক বিচার সভা বসত। কিন্তু তাহলে ইতিহাস পাঠ কেন বা এই নাটকই বা কেন?
  • কোন শাসকের শাসন ক্ষমতা দখল বা স্বৈরাচারী হয়ে ওঠা কোন দুর্ঘটনা নয়, বা কোন দৈবের নির্দেশে তা হয় না। হিটলারের উত্থান তো অবশ্যই কোন দুর্ঘটনা নয়। এই উত্থান, তাঁর অসাধারণ জনপ্রিয়তা, সবটাই ঘটেছে একটি প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে। আর সেই পুরো প্রক্রিয়ায় অনুঘটকের কাজ শুধু তাঁর কাছের বা দেশের মানুষ করে নি, আন্তর্জাতিক স্তরে অনেকে নিজেদের ক্ষুদ্র স্বার্থ সিদ্ধি করতে সে প্রক্রিয়ায় সামিল হয়েছে। তারপর যেমন একদিন জার্মানির আপামর জনসাধারণ যেন কোন কালঘুম থেকে উঠে বুঝতে পেরেছে তাঁরা কী ভুল করেছিলেন, ঠিক তেমনই এই সব বিদেশী রাষ্ট্রও একদিন তাঁদের ভুল বুঝতে পেরেছে। তবে তখনই তাঁরা বুঝেছেন যখন তাঁদের ঘরে আগুণ লেগেছে, তার আগে নয়। আর তখন বড় দেরী হয়ে গিয়েছে।
  • যাঁকে তাঁরা অস্ত্র বিক্রি করে মুনাফা লুটেছেন সেই অস্ত্র তখন ধেয়ে আসছে তাঁদেরই দিকে। যাঁকে স্বীকৃতি দিয়েছেন পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ নেতার সেই নেতা তখন পরিকল্পনা করছেন সে দেশকে কিভাবে শ্মশান বানানো যায়। তখন তাঁরা যুদ্ধ করেন, ট্রাইব্যুনাল বসান। এই ট্রাইব্যুনালে শুধু চারটি সদস্য দেশ ছিল না, আরও উনিশটি দেশের প্রতিনিধি এই ট্রাইব্যুনালকে সমর্থন করেছিলেন। হিটলার নামক ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইনের উত্থানে এক দিন এদের সকলেরই কম বেশী ধনাত্মক ভূমিকা ছিল।
  • আর এই যে বৃহৎ ব্যবসা ও তার সাথে জড়িয়ে অতি বৃহৎ রাজনীতি এর বলি হচ্ছেন সাধারণ মানুষ, কেউ বা কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পে, কেউ শত্রু বেষ্টিত লেনিনগ্রাদে, কেউ ড্রেসডেনের কার্পেট বোম্বিং-এ আবার কেউ সুদূর নাগাসাকিতে।
  • যেহেতু কোন স্বৈরাচারীকে খুব একটা নিয়ম কানুন মেনে কাজ করতে হয় না, বা কারও সাথে আলোচনা বা অন্য কারও মতের তোয়াক্কা সে করে না, সে অনেক কিছু করতে পারে তুলনামূলক ভাবে অনেক তাড়াতাড়ি। এর মধ্যে তথাকথিত উন্নয়ন মূলক কাজও পড়ে। মানুষ এই চট জলদি পেয়ে যাওয়াকে মনে করে মস্ত নেতার লক্ষণ। যেহেতু সামগ্রিক পরিস্থিতি বিচার করা তাঁদের পক্ষে সব সময় সম্ভব হয় না, তাই এই মনোভাবের জন্য তাঁদের দোষও দেয়া যায় না। অন্য দেশের ব্যবসায়ী বা রাজনীতি ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে কিন্তু ব্যাপারটা এত সরল নয়। সেখানে সাদা কালোর ভাগের মধ্যে আরও অনেক রঙ আছে। আর তা যে আছে তা শুধু হিটলারের উত্থান নয়, হিটলারের পতনের পর এই বিচারেও খুবই পরিষ্কার।
  • একটা যুদ্ধ, তা যতই বড় হোক না কেন, তা একদিন শেষ হয়ে যায়। কিন্তু যা শেষ হয় না তা হল সেই মানসিকতা, সেই লোভ যা ছিল ওই যুদ্ধের কারণ। আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে বিচার হয় নাৎসি নেতাদের, অনেকের ফাঁসী হয়। বিচারকের বিচারে কিন্তু সেরকম কোন পরিণাম হয় নি। সেই কারণেই হয় নি যে কারণে এই আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল নাৎসি জামানার ব্যবসায়ীদের কোন বিচার সভা বসায় নি। অর্থাৎ বিশ্বকে বোঝানো দরকার নাৎসিবাদ খারাপ, আমরা  তার নেতাদের শাস্তি দিয়েছি। এবং একই সাথে জার্মান দেশের সাথে মৈত্রী দরকার কারণ জার্মান প্রযুক্তি ও জার্মানিতে ব্যবসা। ও দরকার যুদ্ধ পরবর্তী পৃথিবীর ওপর প্রভুত্ব।
  • নেতার নাম পালটে যাবে, দুরভিসন্ধি থাকবে একই। তাহলে মানুষের বাঁচার রাস্তা কোথায়? বাঁচার রাস্তা একটাই। চোখ খোলা রাখা, নিজের বুদ্ধিকে অন্যের জিম্মায় দিয়ে ‘কমফোর্ট জোন’-এ না বাঁচা। ভাবা ‘প্র্যাকটিস করা’। তাহলেই ভুল পায়ে মানুষ মাথা রাখবে না, তৈরি হবে না কোন স্বৈরাচারী।
Share Event:

আক্ষরিক

অনীকের নবনাট্য “আক্ষরিক” ~ ইতিহাসকে ফিরে দেখা,স্বীকৃতি পাওয়া না পাওয়ার কথা

  • বাংলা ভাষার প্রথম অক্ষরশিল্পীর নাম পঞ্চানন কর্মকার। যদিও বাংলা মুদ্রণযোগ্য সামঞ্জস্যপূর্ণ হরফছাঁদ তৈরির উদ্যোগ নিয়েছিল বৃটিশরা, মূলতঃ ধর্মপ্রচার, বানিজ্য ও শাসনের জন্য। ন্যাথানিয়াল ব্রাসো হালহেড ও চার্লস উইলকিন্স ছিলেন অগ্রনী। কিন্তু সুসমঞ্জস শৈল্পিক হরফছাঁদ নির্মাণের অক্ষরশিল্পী পঞ্চানন কর্মকারের নাম অনুল্লেখ থেকে গেল সচল-হরফ নির্মাণের ইতিহাসে।
  • শিল্পী পঞ্চানন ১৭৭৫ থেকে ১৭৭৮ সাল অবধি সারাদিন ও রাত এক করে বাংলা ভাষার হরফছাঁদ ( পাঞ্চ) তৈরি করে গেছেন। ১৭৭৮ সালে ন্যাথানিয়াল ব্রাসো হালহেড লিখিত A Grammar Of Bengali Language বইতে ছাপা হল প্রথম বাংলা সুসমঞ্জস হরফছাঁদ। বইয়ের কোথাও উল্লেখ করা হলো না অক্ষরশিল্পী পঞ্চানন কর্মকারের নাম। চার্লস উইলকিন্সের নাম প্রচারে এলো। পঞ্চানন কর্মকার হার না মানা এক অনন্য শিল্পীকে চিনেছিলেন উইলিয়াম কেরি।
  • কেরি নিয়ে আসেন পঞ্চানন কর্মকারকে বৃটিশদের খপ্পর থেকে শ্রীরামপুর মিশন প্রেসে। পঞ্চানন কর্মকার আরও শৈল্পিক ও সুন্দর করে তুলেছেন বাংলা হরফ যা পরবর্তীতে বিদ্যাসাগর এসে সংস্কার করে আমাদের হাতে তুলে দিলেন ‘বর্ণপরিচয়’ (১৮৫৫)। কিন্তু আড়ালে চলে গেল এক লড়াকু অক্ষরশিল্পীর লড়াই করার কথা। আজ যখন চারপাশে ইতিহাসকে ভুলিয়ে দেওয়ার নয়া-ইতিহাস নির্মাণের চেষ্টা চলছে তখন বাঙালি হিসেবে বাংলা ভাষার এক অক্ষরশিল্পীর আখ্যানকে মঞ্চে আনা খানিকটা দায় আমাদের। শ্রদ্ধা জানানোও বটে।
  • রজত চক্রবর্তীর উপন্যাস ‘পঞ্চাননের হরফ’ আধারিত দেবাশিসের নাট্যনির্মাণে অনীক প্রযোজনা ‘আক্ষরিক’ আজকের বিপন্ন বাংলা ভাষাকে বাঙালির সামনে তুলে ধরার একটা দায়িত্ব পালন মাত্র।
Share Event:

মেফিস্টো

  • Mephisto-র পটভূমি ১৯৩০-এর দশকের জার্মানি—যে সময়ে Weimar Republic-এর পতনের মধ্য দিয়ে Adolf Hitler ও Nazi Party রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে। শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতির স্বাধীনতার উপর নেমে আসে কঠোর নিয়ন্ত্রণ; ইহুদি এবং রাজনৈতিকভাবে ভিন্নমতাবলম্বী শিল্পীদের উপর শুরু হয় নিপীড়ন, বই পোড়ানো হয়, থিয়েটার ও সংস্কৃতিকে পরিণত করা হয় রাষ্ট্রের প্রচারের হাতিয়ারে।
  • নাটকটির মূল উৎস Klaus Mann-এর ১৯৩৬ সালের উপন্যাস Mephisto: Roman einer Karriere। উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র Hendrik Höfgen-এর আদলে নির্মিত এক উচ্চাভিলাষী অভিনেতা—যে নিজের শিল্পীসত্তা, নৈতিকতা এবং রাজনৈতিক বিবেককে বিসর্জন দিয়ে Nazi ক্ষমতাব্যবস্থার আশ্রয়ে নিজের সাফল্য নিশ্চিত করে।
  • এখানে Mephisto শুধু একজন অভিনেতার কাহিনি নয়। এটি সেই চিরন্তন প্রশ্নের মুখোমুখি দাঁড় করায়—একজন শিল্পী কতদূর আপস করতে পারেন ক্ষমতার সঙ্গে, এবং কোন মুহূর্তে শিল্পীর সাফল্য তার আত্মসমর্পণে পরিণত হয়?
  • এই কারণেই Mephisto-র ইতিহাস কেবল Nazi Germany-র ইতিহাস নয়; এটি শিল্প, ক্ষমতা, উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং বিবেকের সম্পর্কের এক গভীর রাজনৈতিক নাটক।

Paris এ Theatre Du Soleil এ থাকাকালিন আরিয়ানে নুশকিন মণীশ মিত্র র হাতে তুলে দিয়েছিলেন MEPHISTO নাটকের স্ক্রিপ্ট

Share Event:

আবহমান

  • একজন মানুষ হেরে গেছে। জীবনে। টিঁকে থাকার দৌড়ে! সে মরতে চায়। শহরে কি এমন কোন প্রতিষ্ঠান আছে যা মৃত্যুকামী মানুষ কে ব্যথাহীন মৃত্যু উপহার দিতে পারে? অর্থের বিনিময়ে! আছে। আসলে সেই মানুষটি কেন মরতে চায়? অনিবার্য পরম শান্তিময় প্রস্থানের আগে থেকে যায় বাফারটাইম! তার যে কিছু কথা রয়ে গেছে। সেই প্রতিষ্ঠান তার সেই শেষ কথা-অনুভব-স্মৃতি সবটুকুকে এক পারফরম্যন্স স্পেসে ধরতে চায় সেই বাফার টাইমজুড়ে! তারপর কি ঘটে? অনিবার্য মৃত্যু নাকি আবার বেঁচে থাকা আর হেরে যাওয়ার উদযাপন!
Share Event:

চলো পটল তুলি

‘চলো পটল তুলি’ একটি আদ্যন্ত হাস্যরসের নাটক

  • এ নাটকের সময়কাল পঞ্চাশ/ষাটের দশক।
  • নাটকের কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছেন এক বাতিকগ্রস্ত যুবক, যার পাশের বাড়ীতে ‘বেরি-বেরি’ রোগ হয়েছে শুনে সে স্বার্থপরের জীবনযাপন শুরু করে।
  • সে নানান উপায়ে সেই রোগকে নিজের বাড়ীতে ঢোকার প্রতিরোধ করে চলে, যে উপায়গুলি তার আত্মীয়স্বজন বা বন্ধুবান্ধবের একেবারেই অপছন্দের। কিন্তু এই যুবকের আত্মকেন্দ্রিকতা তাকে বিভিন্ন হাস্যকর পরিস্থিতির মধ্যে এনে ফেলে।
  • দেরীতে হলেও, শেষে সে বুঝতে পারে নিজের ভুল, কিন্তু ততক্ষণে সেই যুবকের শত্রুর সংখ্যা অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। দেদার হাসির আড়ালে মূল বক্তব্য হল- ‘স্বার্থসর্বস্ব হয়ে বেঁচে থাকলে একা হয়ে যেতে হয়। সকলকে নিয়ে একসঙ্গে বাঁচার নাম হল জীবন’।

Share Event:

নোনাজল

  • Mohit Chattopadhyay, a poet turned playwright, is one of the greatest thespian of post-modern Indian Theatre. His searches for the good inside a human being and a the wonderful world around.. reveal in most of his 150 plays. NONAJOL is a play of that genre. It is a story of a middle class family with clashes and crisis between values and vulnerability of poverty… a retired man with his unemployed sons & daughter struggles to survive , but with gladness and glory for honesty. One of his son leaves house in search of job , another son desperately wants to grab some easy money through an illegal deed being trapped in a conspiracy with his old collegemate. But ultimately  when it happens, the family strongly oppose and the boy realises his immorality and  degradation. He revolts and faces his criminal companion. And now we have to see, whether the good and the right soul inside them wins Or not.. before the curtain falls ?
  • Playwright : Mohit Chattopadhyay
  • Director : Debdut Ghosh
Share Event:

দেবদাস

  • Based on the novel by Sarat Chandra Chattopadhyay
  • Devdas and Parvati (Paro) grow up together in a Bengal village, bound by an intimate friendship that gradually blossoms into love. But their love is trapped within the rigid social structures of their time—family pride, class and caste distinctions, and the obsession with social status. When Paro’s family proposes marriage, Devdas is unable to stand against his family’s opposition and rejects the relationship.
  • Heartbroken, Paro is married to a wealthy older man, while Devdas returns to Calcutta carrying the burden of a love he cannot accept and cannot forget. His inability to confront his own weakness slowly turns into despair, and he seeks escape through alcohol and self-destruction.
  • In Calcutta, Devdas encounters Chandramukhi, a courtesan who sees beyond his arrogance, anger and despair. Although Devdas remains emotionally imprisoned by his memories of Paro, Chandramukhi develops a profound and selfless love for him. Her transformation reveals a striking contrast between the society’s judgement of a woman and the humanity that exists within her.
  • As Devdas sinks deeper into alcoholism and isolation, Paro continues to live within the boundaries imposed upon her. Neither can escape the consequences of the choices made for them—and by them.
  • Realising that death is approaching, Devdas sets out on one final journey to see Paro. He reaches her doorstep in the darkness, but dies before they can meet. Inside the house, Paro senses something is wrong and rushes towards the door, only to be stopped by the walls of the very society that separated them.
  • Devdas is not merely a story of unfulfilled love. It is a tragic exploration of human weakness, social prejudice, patriarchy, class hierarchy and the devastating consequences of indecision. At its heart lies a question that remains timeless: Is Devdas destroyed by love—or by his inability to fight for it?
Share Event:

বাবুল Bazar

  • Set in the bleak yet stimulating corridors of a Red-light district, “Babul Bazar” follows the turbulent life of a young woman trapped within the boundaries of a world she never chose, Champa.
  • Forced into the trade by harsh circumstances, she constantly struggles to hold on to her dignity, her dreams and her hope. Her hope for a life beyond the shadows. Champa simply refuses to surrender to ceaseless exploitation, judgement and the cruel gaze of society. She dreams. She dreams of living as a “normal” woman, free, respected and untouched by labels. Champa’s inner strength is the play’s silent heartbeat.
  • Amid this struggle, a young man arrives. He sees Champa not as a commodity, but as a person. Wounded, courageous and beautiful in her resilience. Drawn to her fight against fate, he falls in love with her. Their bond grows against social barriers, thus forming the emotional core of the play.
  • As internal and external pressures mount, Champa is pushed to confront her past, her identity and her longing for freedom. Love forces Champa to question whether she can truly escape the cycle of injustice that shaped her life. He becomes both her refuge and her challenge, proving how love and human empathy can change a life.
  • The play traces Champa’s journey from oppression to self-realisation. It shows that even marginalised lives carry strength, tenderness, and the right to Hope.
  • Ultimately, this is the story of resistance. A woman who refuses to be defined by society’s cruel moulds.
  • Story – Sayanti Ghatak
  • Direction, Sound, Light and Set – Souvik
  • Production – Bikram
  • Light Execution – Pallab Jana
  • Sound Execution – Foshol
  • Production Team – Team Art Ark
  • Cast:
  • Sayanti
  • Rupkotha
  • Souvik Sarkar
  • Arghya
  • Bipasha
  • Pranay
Share Event: